ad
ad

Breaking News

Artemis Mission

চাঁদে কি এবার ঘর বাঁধবে মানুষ? নাসার এই চার মহাকাশচারীর মিশন নিয়ে তোলপাড় বিশ্ব!

এই রোমাঞ্চকর অভিযানের সঙ্গী হয়েছেন চার অভিজ্ঞ মহাকাশচারী।

artemis-mission-nasa-orion-moon-launch

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: দীর্ঘ পাঁচ দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চার মহাকাশচারীকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদের দেশে পাড়ি দিল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মহাকাশযান ‘ওরিয়ন’। বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে (ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৪টে ৪ মিনিট) ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে শক্তিশালী ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ (SLS) রকেটের পিঠে চড়ে মহাকাশের উদ্দেশে রওনা দেয় এই যানটি। উৎক্ষেপণের মাত্র আট মিনিট পরেই পরিকল্পনা অনুযায়ী রকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজের কক্ষপথে এগিয়ে যায় ওরিয়ন। ১৯৭২ সালে নাসার অ্যাপোলো মিশন শেষ হওয়ার পর এই প্রথম চন্দ্রাভিযানে মানুষ পাঠাল আমেরিকা। ঐতিহাসিক এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আর্টেমিস ২’, যা সফল হলে দীর্ঘ ৫৩ বছর পর মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন মাইলফলক স্থাপিত হবে।

এই রোমাঞ্চকর অভিযানের সঙ্গী হয়েছেন চার অভিজ্ঞ মহাকাশচারী। দলের নেতৃত্বে রয়েছেন কমান্ডার রিড ওয়াইসম্যান, যিনি একজন প্রাক্তন নৌসেনা পাইলট এবং মহাকাশে ১৬৫ দিন কাটানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। পাইলট হিসেবে রয়েছেন ভিক্টর গ্লোভার, যিনি এর আগে নাসার ‘ক্রু-১’ মিশনে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও রয়েছেন অভিযান বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টিনা কচ, যিনি নারী হিসেবে মহাকাশে দীর্ঘতম স্পেসফ্লাইটের রেকর্ডধারী এবং কানাডার মহাকাশ সংস্থার জেরেমি হানসেন, যাঁর কাছে এটিই প্রথম মহাকাশ সফর। আবহাওয়া বা প্রযুক্তিগত কোনো সমস্যা দেখা দিলে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিকল্প উৎক্ষেপণের সময়সীমা রাখা হলেও প্রথম প্রচেষ্টাতেই সফলভাবে যাত্রা শুরু করেছে এই যান।

তবে বর্তমান এই ‘আর্টেমিস ২’ মিশনে মহাকাশচারীরা এখনই চাঁদের মাটিতে অবতরণ করবেন না। বরং চাঁদের পিঠ থেকে প্রায় ১০০০ মাইল দূরত্বে অবস্থান করে তাঁরা পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহটিকে প্রদক্ষিণ করবেন। এই ১০ দিনের সফরে তাঁরা মহাকাশযানের ‘লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম’ এবং ভবিষ্যতে চাঁদে মানুষ নামানোর ক্ষেত্রে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো খতিয়ে দেখবেন। এই মহাকাশ মহড়া সফল হলে আগামী ২০২৮ সালে নাসা পুনরায় চাঁদের মাটিতে সরাসরি মানুষ নামানোর পরিকল্পনা করছে। আপাতত এই চার অভিযাত্রী তাঁদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন।