ad
ad

Breaking News

Accenture

১১ হাজার ছাঁটাইয়ের পর অ্যাকসেঞ্চারের নতুন ফরমান, পদোন্নতি পেতে হলে জানতেই হবে এআই!

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, যারা এআই ব্যবহারে পিছিয়ে থাকবেন, তাদের পদোন্নতি বন্ধ।

Accenture Mandates AI Usage for Senior Leadership Promotions

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) ব্যবহারে অনীহা থাকলে এবার আটকে যেতে পারে পদোন্নতি! বিশ্বখ্যাত তথ্যপ্রযুক্তি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যাকসেঞ্চার (Accenture) তাদের বয়স্ক কর্মকর্তাদের জন্য এমনই এক কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে। প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট জানিয়েছে, নেতৃত্বের পর্যায়ে থাকতে হলে দৈনন্দিন কাজে এআই টুলের ব্যবহারে দক্ষ হওয়া এখন বাধ্যতামূলক।

Accenture lays off 11,000, invests in AI and cloud | The CEO Magazine -  India posted on the topic | LinkedIn

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি অ্যাকসেঞ্চারের অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর এবং সিনিয়র ম্যানেজারদের কাছে একটি ইমেইল পাঠানো হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, এআই গ্রহণ করা এখন আর কেবল উৎসাহের বিষয় নয়, বরং ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, যারা এআই ব্যবহারে পিছিয়ে থাকবেন, তাদের পদোন্নতি বন্ধ।

গত কয়েক বছরে অ্যাকসেঞ্চার (Accenture) প্রায় ১১,০০০ কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই পদগুলো এআই-ভিত্তিক কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। এই বিশাল সংখ্যক কর্মীর বিদায়ে ক্ষতিপূরণ বাবদ (severance package) কোম্পানিটিকে প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করতে হয়েছে। সম্প্রতি ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’-এ সিইও জুলি সুইট বলেন, এআই-এর যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে কোম্পানিগুলোকে তাদের কাজের ধরন এবং জনবল কাঠামো পুরোপুরি পুনর্গঠন করতে হবে।

No AI, No Promotion: Accenture's latest diktat to staff - Business News |  The Financial Express

কর্মীরা আদেও এআই ব্যবহার করছেন কি না, তা যাচাই করতে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করছে অ্যাকসেঞ্চার (Accenture)। এনভিডিয়া (NVIDIA)-র সহযোগিতায় তৈরি তাদের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ‘এআই রিফাইনারি’-তে কর্মীদের লগ-ইন এবং কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। এর মাধ্যমেই নির্ধারণ করা হবে কারা সফলভাবে নিজেদের দৈনন্দিন কাজে এআই-কে অন্তর্ভুক্ত করতে পারছেন। তবে আইনি জটিলতা এবং সরকারি চুক্তির কারণে ইউরোপের ১২টি দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি প্রকল্পে কর্মরত কর্মীরা আপাতত এই নজরদারির আওতামুক্ত থাকছেন।