চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: তামিল সুপারস্টার তথা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘জনা নায়গন’-এর মুক্তির দিন নিয়ে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রথমে ছবিটি আগামী বছরের ৯ জানুয়ারি মুক্তির কথা ঘোষণা করা হলেও, এখন শোনা যাচ্ছে ২৩ জুলাই দেশজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে পারে এই ছবি। যদিও নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি, তবে বিজয়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জগদীশ পালানির একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। জগদীশ পালানি তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি মোশন গ্রাফিক শেয়ার করেন, যেখানে লেখা ছিল, “Alright the hype is real, can’t wait for 23rd.” এরপর থেকেই অনুরাগীদের মধ্যে ২৩ জুলাই মুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
এদিকে, ছবিটিকে ‘এ’ শংসাপত্র দিয়েছে কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র শংসাপত্র বোর্ড (সিবিএফসি)। বোর্ডের নথি অনুযায়ী, ছবিটির দৈর্ঘ্য ৩ ঘণ্টা ৩ মিনিট ১১ সেকেন্ড। তবে মুক্তির আগে নির্মাতাদের ১২টি পরিবর্তন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেন্সর বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী, ড. বি. আর. আম্বেদকরের ছবি-সংবলিত একটি বইয়ের প্রচ্ছদের দৃশ্য পরিবর্তন করা হয়েছে। পাশাপাশি আম্বেদকর এবং ‘টিভিকে’ (TVK) সম্পর্কিত একটি সংলাপ সংশোধন করা হয়েছে এবং ‘টিভিকে’ শব্দটি অডিও ও ভিডিও—দুই ক্ষেত্রেই মিউট করা হয়েছে।
এছাড়াও, একটি দৃশ্যে জাতীয় পতাকার ব্যবহার বাদ দিতে বলা হয়েছে। কয়েকটি আপত্তিকর শব্দ ও সংলাপ মিউট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি শিশুকে আগুনে পোড়ানোর দৃশ্যও বাদ দিয়ে অন্য দৃশ্য সংযোজন করা হয়েছে। পাশাপাশি ছবিতে যেখানে যেখানে ‘শীলা রানি’ নামটি রয়েছে, তা পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছে বোর্ড।
সব মিলিয়ে প্রায় ২০ সেকেন্ডের দৃশ্য বাদ এবং ১০ সেকেন্ডের পরিবর্তন করা হলেও ছবির মোট দৈর্ঘ্যে কোনও পরিবর্তন হয়নি।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেই ছবিটি সেন্সর বোর্ডে জমা পড়েছিল। প্রথমে ইউ/এ ১৬+শংসাপত্র দেওয়ার কথা থাকলেও, পরীক্ষক কমিটির এক সদস্যের আপত্তির কারণে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা কমিটির কাছে পাঠানো হয়। সেই কারণে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে ছবিটির শংসাপত্র আটকে ছিল।
এইচ. বিনোথ পরিচালিত ‘জনা নায়গন’ বিজয়ের অভিনয় জীবনের শেষ ছবি হিসেবে ধরা হচ্ছে। রাজনীতিতে পূর্ণ সময় দেওয়ার আগে অনুরাগীদের উদ্দেশে এটিই তাঁর বিদায়ী ছবি। প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ছবিতে বিজয়ের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন পূজা হেগড়ে, ববি দেওল ও মামিথা বাইজু। ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন অনিরুদ্ধ রবিচন্দর।