ad
ad

Breaking News

Uttam Kumar

‘মন কি বাতে’ মহানায়ক-স্মরণ! উত্তম কুমারের জন্ম শতবর্ষে আবেগঘন বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

সত্যজিৎ রায়ের 'নায়ক' থেকে উত্তম কুমারের মানবসেবা! 'মন কী বাতে' মহানায়কের বন্দনায় প্রধানমন্ত্রী

PM Modi Mann Ki Baat Tribute To Mahanayak Uttam Kumar

নিজস্ব গ্রাফিক্স

AK Bangla Desk: আগামী ৩ সেপ্টেম্বর বাংলা চলচ্চিত্রের অবিসংবাদিত ‘মহানায়ক’ উত্তম কুমারের জন্ম শতবর্ষ বা ১০০তম জন্মবার্ষিকী। এই বিশেষ দিনটির কথা স্মরণ করে নিজের মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কী বাত’ (Mann Ki Baat)-এ উত্তম কুমারকে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উত্তম কুমারের বহুমুখী প্রতিভা, অভিনয়ের গভীরতা এবং তাঁর জনহিতকর কাজের ভূয়সী প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, মহানায়ক চিরকাল কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে রাজ করবেন। বিশেষ বিষয় হল, বক্তব্যের শেষ অংশে স্পষ্ট বাংলায় শ্রদ্ধা নিবেদন করে সমস্ত দেশবাসীর নজর কেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

রেডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছুই দিনের মধ্যে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর আমরা মহানায়ক উত্তম কুমারজির জন্ম শতবর্ষ উদযাপিত হতে চলেছে। উত্তম কুমারজি এক অনন্য ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী (Versatile) অভিনেতা ছিলেন। তিনি তাঁর অসামান্য অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী স্থান করে নিয়েছিলেন।”

উত্তম কুমারের অভিনয় শৈলী এবং বিশ্ববরেণ্য পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে তাঁর যুগলবন্দির কথা স্মরণ করিয়ে দেন মোদি। তিনি বলেন, “চলচ্চিত্রপ্রেমীদের বিশ্বাস যে, শ্রীমান সত্যজিৎ রায় তাঁর বিখ্যাত ‘নায়ক’ (The Hero) চলচ্চিত্রের মূল চিত্রনাট্য মহানায়ক উত্তম কুমারজিকে কেন্দ্র করেই লিখেছিলেন। সত্যজিৎ রায় নিজেই বলেছিলেন, উত্তম কুমারের মার্জিত ব্যক্তিত্বের (Dignity) পাশাপাশি এক অদ্ভুত আবেগপূর্ণ গভীরতা (Emotional Depth) ছিল। পর্দায় যেকোনো চরিত্রকে জীবন্ত করে তোলার জন্য তিনি ভীষণ কঠোর পরিশ্রম করতেন।”

কেবল অভিনয় দক্ষতাই নয়, মহানায়কের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা ও লড়াইকেও কুর্নিশ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি যোগ করেন, “উত্তম কুমারজি তাঁর সাহসিকতা ও সমাজসেবামূলক (Philanthropic) কাজের জন্যও অত্যন্ত সুপরিচিত ছিলেন। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও জীবনসংগ্রামে কখনও হার না মানার এক বিশাল শিক্ষা পাওয়া যায় ওঁর জীবন থেকে।”

বার্তার শেষভাগে কোটি কোটি বাঙালিকে চমকে দিয়ে স্পষ্ট বাংলা উচ্চারণে মোদি বলেন, “মহানায়ক উত্তম কুমার চিরদিন মানুষের হৃদয়ে রাজ করবেন।” এরপরই দেশের আসন্ন পর্ব ও উৎসবের দিনগুলিতে একে অপরের সঙ্গে সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর মহানায়কের ১০০ তম জন্মবার্ষিকীর আগে প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ শ্রদ্ধা রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।