চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: “এ যেন সরষের মধ্যেই ভূত!”—দীর্ঘদিনের বিশ্বাসভঙ্গের এক ভয়ঙ্কর ঘটনার শিকার হলেন বলিউড অভিনেতা-পরিচালক ফারহান আখতার। যে ব্যক্তিকে পরিবারের সদস্যের মতোই বিশ্বাস করে বছরের পর বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেই গাড়ির ড্রাইভারই ফারহান আখতারের ১২ লক্ষ টাকা জালিয়াতি করে হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, অভিযুক্ত ওই ড্রাইভারের নাম নরেশ সিং, যিনি স্বনামধন্য চিত্রনাট্যকার তথা ফারহানের মা হানি ইরানির গাড়ি চালাতেন। পরিবারের বিশ্বস্ত সদস্য হিসেবে পরিচিত এই ড্রাইভারের আসল রূপ সামনে আসে সম্প্রতি (Farhan Akhtar)।
আরও পড়ুনঃ সীমান্তে আবারও পাকিস্তানি ড্রোন, চাঞ্চল্য কাশ্মীরে
ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন হানি ইরানির ম্যানেজার দিয়া ভাটিয়া হিসাব মেলাতে গিয়ে অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেনের হদিশ পান। জানা যায়, গাড়ির তেল ভরার জন্য বিশ্বাস করে নরেশ সিংকে ফারহান আখতারের নামে থাকা একটি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন হানি ইরানি। সেই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়েই শুরু হয় জালিয়াতি। ম্যানেজার দিয়া ভাটিয়া আবিষ্কার করেন যে, যেখানে হানি ইরানির গাড়ির জন্য সাধারণত ৩৫ লিটার পেট্রোলের প্রয়োজন হয়, সেখানে নরেশ সিং ৬২১ লিটার পেট্রোলের ‘ভুয়ো বিল’ জমা দিয়েছেন। তৎক্ষণাৎ এই বিপুল পরিমাণ ‘অতিরিক্ত জ্বালানি’ কেনার কারণ জানতে চাওয়া হলে নরেশ প্রথমে সদুত্তর দিতে পারেননি। তবে দিয়া ভাটিয়ার জেরার মুখে খুব বেশিক্ষণ মিথ্যা কথা বলতে পারেননি তিনি এবং একসময়ে নিজের দোষ স্বীকার করে নেন (Farhan Akhtar)।
Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/share/17CxRSHVAJ/
জেরায় নরেশ সিং জানান, তিনি ২০২২ সাল থেকে এই জালিয়াতি করে আসছেন। পরিবারের পুরনো গাড়িচালক সন্তোষ কুমার তাঁকে ফারহানের নামে থাকা তিনটি ক্রেডিট কার্ড দিয়েছিলেন। তিনি একটি কার্ড ব্যবহারের কথা বললেও, ম্যানেজার দিয়া ভাটিয়া ধরে ফেলেন যে তিনটি ভিন্ন কার্ড ব্যবহার করে অতিরিক্ত জ্বালানি কেনা হয়েছে। এমনকি, ৭ বছর আগে বিক্রি হয়ে যাওয়া একটি গাড়ির জন্য পেট্রোল কেনার রেকর্ডও তিনি ‘এন্ট্রি’ করেছিলেন! নরেশ আরও স্বীকার করেন যে, তিনি এই প্রতারণায় বান্দ্রার পেট্রোল পাম্পের কর্মী অরুণ সিং-এর সাহায্য নিতেন এবং ধরা এড়ানোর জন্য অরুণ সিংকেও টাকার ভাগ দিতেন। অভিযুক্ত নরেশ সিংয়ের বয়ান অনুযায়ী, তিন বছর ধরে এভাবেই তিনি টাকা তুলেছেন (Farhan Akhtar)।