চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ ছবির সঙ্গে জটিলতা যেন পিছু ছাড়ছে না। শোনা যাচ্ছে, সিনেমাটি মুক্তির দিনক্ষণ আবারও পিছিয়ে যেতে পারে। বলিউড সূত্রের খবর, ছবির কিছু অংশ আবার শুটিং করতে হতে পারে। ফলে প্রোডাকশন কাজও বাকি রয়েছে এবং সব মিলিয়ে সময় লাগবে। এই কারণেই এপ্রিলে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে।
তাই আপাতত টিম ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ স্বাধীনতা দিবসকে ছবির মুক্তির সম্ভাব্য ডেডলাইন হিসেবে ধরে এগোচ্ছে বলে খবর। যদিও এখনও পরিচালক কিংবা অভিনেতা কেউই বিষয়টি নিশ্চিতভাবে জানেননি। তবে খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে পরিষ্কার ঘোষণা আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রথম থেকেই সলমন খানের এই অ্যাকশন ছবি নিয়ে দর্শকদের উৎসাহের শেষ নেই। কারণ ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ ২০২০ সালের গালওয়ান ভ্যালির ভারত-চিন সংঘাতের প্রেক্ষাপটে নির্মিত। এতে সলমন খানকে দেখা যাবে কর্নেল বিকুমল্লা সন্তোষ বাবুর চরিত্রে, যিনি ভারতের সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
জওয়ানের চরিত্রে যথাযথ অভিনয়ের জন্য সলমন খান কড়াকড়ি প্রস্তুতি নিয়েছেন। শুটিংয়ের আগে তিনি নিয়মিত প্রেশার চেম্বারে কঠোর প্রশিক্ষণ করেছেন এবং খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন এনেছেন। এখন দর্শকরা নতুন অবতারে ‘ভাইজান’কে বড়পর্দায় দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন।
গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর, সলমন খানের জন্মদিনে বহু প্রতীক্ষিত ছবির টিজার প্রকাশ করা হয়। তবে ছবির টিজার নিয়েও বিতর্ক থামেনি। বাস্তবে গালওয়ান সংঘাতে চিনা সেনাবাহিনী ভারতীয় সেনার কাছে বড় ধাক্কা খায়। কিন্তু সিনেমায় ভারতীয় সুপারস্টারের হাতে সেই সংঘাতকে দেখিয়ে বেজিংর ক্ষোভ উস্কে ওঠে। চিনের দাবি, “বিকৃত তথ্যভিত্তিক সিনেমা দেখিয়ে ভারত জাতীয়তাবাদের উসকানি দিচ্ছে এবং চিনা সেনাবাহিনীকে কলঙ্কিত করছে।”
চিনা সংবাদমাধ্যমে ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’কে ভারতের জাতীয়তাবাদ উসকানির একটি ‘অস্ত্র’ বলেও কটাক্ষ করা হয়েছে। অন্যদিকে, সম্প্রতি ছবির ‘মাতৃভূমি’ গানটি মুক্তি পেয়ে দর্শকদের মধ্যে বিপুল সাড়া ফেলেছে।
এখন কয়েক মাসের মধ্যেই বড়পর্দায় ‘ভাইজান’কে দেখার অপেক্ষায় ছিলেন দর্শকরা। কিন্তু এমন সময়ে মুক্তি পিছিয়ে যাওয়ার খবরে অনেকে স্বাভাবিকভাবেই হতাশ হয়েছেন।