চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: বছর ঘুরলে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। দেখতে দেখতে আরও পাঁচটা বছর অতিক্রান্ত। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৫ বছর পূর্ণ করবেন। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ইতিহাস তৈরি করেছেন জ্যোতি বসু। দীর্ঘদিন ধরে দ্বিতীয় স্থানটি ছিল ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়ের (West Bengal)।
সেই রেকর্ড ভেঙে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বাংলার বেশি সময়ের মুখ্যমন্ত্রীর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে। ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আবার আগামী পাঁচ বছরের জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রীত্বের চেয়ারে বসবেন মমতা? বর্তমান বাংলার যে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তাতে করে এগিয়ে তৃণমূল নেত্রীই। কারণ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির থেকে কয়েক কদম এগিয়ে রয়েছে মমতাই। এর মধ্যে আবার এসআইআর শুরু হওয়ায় বিজেপির সামনে অশনি সংকেত হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মতুয়া, উদ্বাস্তু সহ ওপার বাংলা থেকে আগত মানুষের একটা বড় অংশের মনে বিজেপির প্রতি ভীতি জন্ম নিচ্ছে। এই নিয়ে বর্তমান রাজনৈতিক ময়দান সরগরম। এসআইআর নিয়ে যখন তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস, বামেরা তীব্র বিরোধিতায় নেমেছে তখন এসআইআর-এর পক্ষে জোরালো সওয়াল করছেন বিজেপি নেতারা। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এসআইআর কার পক্ষে যাবে তা নিয়ে যখন রাজনৈতিক ময়দান সরগরম হচ্ছে, অন্যদিকে রাজ্য সরকার মানুষের কর্মসংস্থানের ওপর বিশেষ নজর দিয়েছে (West Bengal)।
তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে বলেছিলেন, এবারে প্রথম লক্ষ্য হবে রাজ্যে আরও বেশি শিল্পে বিনিয়োগ আনা। আরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করা। আর সেই লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বাংলার মা মাটি মানুষের সরকার। শিল্পে বিনিয়োগের কাজ নিবিড়ভাবে এগিয়ে চলেছে। রাজ্যে লগ্নি আনার লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে গ্লোবাল বিজনেস সামিট। উত্তরবঙ্গে হয়েছে বিশেষ বিজনেস বৈঠক। এবার কলকাতায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিজনেস কনক্লেভ।
আগামী ১৮ ডিসেম্বর কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে বিজনেস কনক্লেভের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। এই নিয়ে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। এই বিজনেস কনক্লেভের পরিকল্পনা পুজোর আগেই হয়েছিল। বিজনেস কনক্লেভে বিভিন্ন বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন মুখ্যমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু সংস্থা ইতিমধ্যেই বিনিয়োগ করেছেন। সেই বিনিয়োগকারীরা তাদের ‘সাকসেস স্টোরি’ বিজনেস কনক্লেভে তুলে ধরবেন। রাজ্য সরকার নীরবে রাজ্যের শিল্প বিকাশে ধারাবাহিক কাজ করে চলেছে (West Bengal)।