চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: এবারের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের অন্যতম ইস্যু ছিল আরজি করের ঘটনা। রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। তৃণমূলকে হারিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। ক্ষমতায় এসে নতুন সরকার খুলেছে আরজি কর ফাইল। কয়েকদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে তৎকালীন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, তৎকালীন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, তৎকালীন ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এবার এই মামলায় নয়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট।
সিবিআই-এর সিট গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনার দিন রাতের খাবার খাওয়ার সময় থেকে পরদিন নির্যাতিতার শেষকৃত্য হওয়া পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কী কী ঘটেছিল, তা পুনরায় সিবিআই-কে তদন্ত করতে হবে৷ এই তদন্তে যাকে খুশি জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই৷ নির্যাতিতার পরিবারের তরফে যে অভিযোগগুলি তোলা হয়েছে, সেগুলিও খতিয়ে দেখবে বিশেষ তদন্তকারী দল৷ আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তথ্যপ্রমাণ লোপাট ছাড়াও পরিবারের তরফে একাধিক অভিযোগ তোলা হয়। সেই বিষয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট৷ বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চ নির্দেশে জানিয়েছেন, সিবিআই-এর পূর্বাঞ্চলীয় যুগ্ম অধিকর্তার নেতৃত্বে চলবে তদন্ত। আগামী ২৫ জুন আদালতে রিপোর্ট দিতে হবে সিবিআই-কে৷
এর আগে গত ১৯ মে প্রমাণের সুরক্ষাকে আরও জোরদার করতে আরজি করের অকুস্থল সম্পূর্ণ সিল করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের পক্ষ থেকে সিবিআইকে স্পষ্ট জানানো হয়, হাসপাতালের যে যে অংশের সঙ্গে এই ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে, তার সবটাই অবিলম্বে সিল করে দিতে হবে। সেই মামলার শুনানিতে এবার সিবিআই-কে সিট গঠনের নির্দেশ দিল আদালত। আগামী ২৫ জুন মামলার পরবর্তী শুনানি। ওইদিন হাই কোর্টে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেবে সিট। উল্লেখ্য, এই মামলায় ধৃত সঞ্জয় রাইকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছে শিয়ালদা আদালত। কিন্তু, অভয়ার বাবা-মা বুঝিয়ে দেন তাঁরা এই তদন্তে সন্তুষ্ট নন। তাঁদের দাবি, আরও অনেকেই জড়িত রয়েছে এই ঘটনায়। যারা তদন্তের আওতায় আসেনি। এবার সেই ঘটনার তদন্তে সিবিআই-কে সিট গঠনের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। এবার হয়তো নতুন অনেক কিছু উঠে আসতে পারে।