গ্রাফিক্স: নিজস্ব
Bangla Jago Desk: কী উপকারে আসবে তা মানুষ বুঝতে পারছে না। তবে লাভের থেকে বেশি যে ক্ষতি হবে সে সম্পর্কে নিশ্চিত সাধারণ মানুষ (Power Protest)। তাই শুরু থেকেই দিকে দিকে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ শুরু হয়। নাছোড় মানুষ একেবারেই বসাতে দিতে চায় না বিদ্যুতের স্মার্ট মিটার। যা নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। আর মানুষের সেই ক্ষোভের কথা আঁচ করে পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার।
[আরও পড়ুন: Horoscope Update: বৃষ রাশির ভাগ্যে অর্থ! পড়ুন শুক্রবারের রাশিফল]
একদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার চাইছে বাড়ি বাড়ি স্মার্ট মিটার বসাতে, তখন রাজ্য সরকার মানুষের দাবিকে মান্যতা দিয়ে এই মিটার বসানো হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। ফলে স্মার্ট মিটার নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে এবার সরাসরি সংঘাতে রাজ্য। যে সব মিটার এখনও পর্যন্ত বসানো হয়ে গিয়েছে সেই স্মার্ট মিটার এবার থেকে ব্যবহার হবে সাধারণ মিটারের মতোই। তিন মাস পরেই মেটানো যাবে বিল (Power Protest)। প্রিপেড নয় পোস্ট পেইড ব্যবস্থাই চালু থাকবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা বিধানসভায় বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।
ইতিমধ্যেই রাজ্য বিদ্যুৎ দফতরের পক্ষ থেকে বলে দেওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার চালু করা হবে না। বুধবার বিধানসভা অধিবেশনে দফতরের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে কিছু কিছু জায়গায় পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে স্মার্ট মিটার লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল (Power Protest)। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যের বিদ্যুৎ দফতর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যে কোনও স্মার্ট মিটার লাগানো হবে না। কোনও প্রি-পেইড ব্যবস্থা চালু হবে না।
FB POST: https://www.facebook.com/share/p/18tATVFsKR/
যে সব জায়গায় স্মার্ট মিটার লাগানো হয়েছিল সেগুলিকে পূর্বতন মিটারের মতোই ধরা হবে। কেন্দ্রীয় সরকার স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করলে তার প্রেক্ষিতে কাজ শুরু হয় এরাজ্যেও। কিন্তু সংযোগ শুরু হতেই সাধারণ মানুষের ক্ষোভ শুরু হয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। অনেক বেশি টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। প্রায় সব জায়গা থেকে এই অভিযোগ উঠতে শুরু করে। তারপর দিকে দিকে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। আর সেই বিক্ষোভের ধার বাড়তে থাকায় রাজ্য স্মার্ট মিটার চালু না করার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার (Power Protest)।