গ্রাফিক্স: নিজস্ব
Bangla Jago Desk: অপরাধ আর প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তায় বারবার খবরের শিরোনামে আসে উত্তর প্রদেশ। আবারও শিরোনামে এল। এবার যোগীরাজ্যে ধর্ষণের জেরে মৃত্যু হল ৪ বছরের এক শিশুর। ধর্ষণের ঘটনা নতুন নয় উত্তর প্রদেশে। ধারাবাহিক ভাবে ধর্ষণ ঘটে চলেছে যোগীরাজ্যে। একটা ঘটনা ঘটার পর থিতিয়ে যাওয়ার আগেই আবার নতুন ঘটনা।
কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না ধর্ষণ। তবে সব ক্ষেত্রে পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয় না বলে অভিযোগ ওঠে। তাই পুলিশ-প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তোলে বিরোধীরা। সেই সঙ্গে দুষ্কৃতীরাজও চলছে সমান তালে। এই ধর্ষণে অভিযুক্তকে ধরতে গেলে শুরু হয় গুলির লড়াই। পুলিশকে দেখেই গুলি চালাতে শুরু করে অভিযুক্ত। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পুলিশের ছোড়া গুলি অভিযুক্তের পায়ে লাগে। এরপর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।
কয়েকদিন আগে দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত হন এক পুলিশ কনস্টেবল। অপরাধীকে ধরতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে দুষ্কৃতীদের হাতে ওই কনস্টেবলের মৃত্যু হয়েছিল। একটি মামলায় অভিযুক্ত কাদির নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে গাজিয়াবাদের নাহাল গ্রামে যায় মসুরি থানার পুলিশ। কাদির নামে ওই ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ অপরাধী সেখানে লুকিয়ে রয়েছে বলে জানতে পারে পুলিশ। এরপরই তাকে ধরতে সেখানে পৌঁছয় নয়ডা পুলিশের একটি দল। কিন্তু পুলিশ পৌঁছতেই গ্রামবাসী পাথর ছুড়তে শুরু করে। আচমকা এই হামলার কার্যত দিশাহারা হয়ে পড়ে পুলিশ।
সেই সময়ই গ্রামবাসীর ভিড়ের মধ্য থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। সেই গুলি লাগে কনস্টেবল সৌরভ সিং গোয়েলের বুকে। দুষ্কৃতীরাজ নিয়ন্ত্রণে উত্তরপ্রদেশে প্রায়ই এনকাউন্টারের কথা শোনা যায়। পুলিশের গুলিরতে মৃত্যু হয় দুষ্কৃতীদের। তারপরও উত্তরপ্রদেশে দুষ্কৃতীদের দাপট কমছে না। সেই সঙ্গে মহিলারাও পাচ্ছে না ঠিকঠাক নিরাপত্তা। তার জন্যই বারবার ঘটছে ধর্ষণের মতো নারকীয় ঘটনা। বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশে ‘সুশাসন’-এর কথা তুলে ধরা হয় সব সময়। তবে কেমন সেই রাজ্যের সুশাসন– তা বারবার প্রমাণ হচ্ছে এই ধরনের ঘটনায়।