ad
ad

Breaking News

BSNL

BSNL: ৩বেসরকারি সংস্থার মোবাইলের খরচ আরও বাড়ল, ৩০শতাংশ রিচার্জ বাড়ায় বিএসএনএলে ঝুঁকছে গ্রাহকরা

জানেন কী দেশের কত শতাংশ মানুষ,মোবাইল ব্যবহার করেন ?কত শতাংশ মানুষের মনের কথা বলতে গেলে পকেটে চাপ বাড়বে ?

30 percent recharge increases, customers flock to BSNL

চিত্র : সংগৃহীত

Bangla Jago Desk : নির্বাচন মিটে যাওয়ার পর মূল্যবৃদ্ধির আঁচ লেগেছে মুঠো ফোনে।৩বেসরকারি সংস্থা একলাফে ৩০শতাংশ রিচার্জ ফি বাড়িয়ে দিয়েছে।জিও-এয়ারটেল-ভোডাফোন এই রিচার্জ বাড়ানোয় গ্রাহকরা বেশ ফাঁপরে পড়েছে।রান্নার গ্যাস থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সমস্ত জিনিসের দাম প্রায়দিনই বাড়ছে।লাগামছাড়াভাবে দর বাড়ছে রোজকার ব্যবহার্য সামগ্রীর।তার মাঝে মোবাইলের রিচার্জ একলাফে এতটা বেড়ে যাওয়ায় আমজনতার মাথায় বোঝা বাড়ল।মোদি সরকারের আমলে সবকিছুর জন্য বেশি মাসুল দিতে হওয়ায় ক্ষোভও বাড়ছে।হিসেব বলছে,গ্রাহকদের খরচ বাড়ছে প্রায় ৩৫হাজার কোটি টাকা।কেন্দ্রের সুনির্দিষ্ট নীতি না থাকায় বেসরকারি সংস্থাগুলো এভাবে মানুষের ওপর কোপ ফেলতে পাচ্ছে বলে মনে করছেন গ্রাহকদের বড় অংশ।

জানেন কী দেশের কত শতাংশ মানুষ,মোবাইল ব্যবহার করেন ?কত শতাংশ মানুষের মনের কথা বলতে গেলে পকেটে চাপ বাড়বে ? টেলিকম রেগুলেটরি  অথরিটি অব ইন্ডিয়ার রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে দেশের ১১৯কোটির কাছে মানুষ মোবাই ব্যবহার করেন।রিলায়েন্স জিও-র গ্রাহক ৪৭ কোটির বেশি,ভারতী এয়ারটেল ব্যবহার করেন ৩৯কোটির বেশি আর ভোডাফোনে কথাবার্তা বলেন ২২কোটির কাছে মানুষ। ৩কোম্পানির বাজার  নিয়ন্ত্রণ করে   ৯১.১৩শতাংশ । আগামীদিনে এই ৩ কোম্পানির গ্রাহক সংখ্যা কমার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।কারণ একলাফে এই রিচার্জ বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনে সমস্যা বয়ে আনছে।অনেকেই বলছেন,কোভিডের পর আয় সেভাবে বাড়েনি। কেন্দ্রীয় সরকার সেভাবে আয়ের পথ খুলে দিতে পারেনি।জবলেস গ্রোথ বা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি না করে উন্নয়নের ঢাক পেটানোর জন্য এমনিতেই মানুষের অবস্থা খারাপ হয়েছে।রোজগারের সুযোগ বহুলাংশে কমে যাচ্ছে।অসংগঠিত ক্ষেত্রে রোজগার কিছুটা হলেও অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রত্যাশামতো বৃদ্ধি হচ্ছে না। তাই গ্রাহকরা বাধ্য হচ্ছেন বেসরকারি সংস্থার ওপর ভরসা ছেড়ে সরকার নিয়ন্ত্রিত  সংস্থার মুখাপেক্ষী হতে।সেজন্য বর্তমানে বিএসএনএল ও এমটিএনএলের গ্রাহকসংখ্যা বাড়বে বলে আশা।বর্তমানে দুই সংস্থার গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১০কোটির একটু বেশি।আগামীদিনে বিএসএনএলের প্রতি ভরসা বাড়লে দুই সংস্থার মোবাইল গ্রাহক বাড়তে বাধ্য বলে বাজার বিশেষজ্ঞদের অনুমান।

[ আরও পড়ুন : PM Narendra Modi: স্টার্মারকে শুভেচ্ছাবার্তা মোদির, চোদ্দ বছর পরে ক্ষমতায় ফিরছে লেবার পার্টি

এই আচমকা মোবাইলের রিচার্জ বেড়ে যাওয়ায় একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।যেখানে সারা বিশ্ব তথ্যের হাইওয়ে দিয়ে হাঁটছে,সেখানে ভারতে তথ্যপ্রযুক্তির জন্য মোটা টাকা ব্যয় করতে কেন হচ্ছে ? মধ্যবিত্তদের ব্যয় যখন বাড়ছে তখন কেন বার্তা বিনিময়ের জন্য এই চড়া মূল্য দিতে হবে ? ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশে সরকারি সংস্থার রাশ কেন আলগা করে দেওয়া হচ্ছে ?  কেন বেসরকারি সংস্থাগুলোকে ইচ্ছেমতো রিচার্জ প্ল্যান কার্যকর করার দরজা হাট করে খুলে দিয়েছে বিজেপি সরকার ?  

[ আরও পড়ুন : PM Narendra Modi: স্টার্মারকে শুভেচ্ছাবার্তা মোদির, চোদ্দ বছর পরে ক্ষমতায় ফিরছে লেবার পার্টি

 যেখানে সব মানুষের কাছে মোবাইল অপরিহার্য,যেখানে মোবাইল ছাড়া জীবন অচল হয়ে পড়েছে,সেখানে কেন এভাবে যোগাযোগের এই মাধ্যমের ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে ? এমনিতেই বিজেপি সরকারের আমলে আদানি-আম্বানীদের দাপট বেড়েছে।তার ওপর   মোবাইল নিয়ন্ত্রণকারী কোম্পানিগুলোকে লাভের অঙ্ক বাড়ানোর সুযোগ করে দিয়ে আসলে কেন্দ্র জনস্বার্থের মৌলিক ইস্যুতে কাণ্ডজ্ঞানহীন ভূমিকা পালন করছে।কারণ কথোপকথনের এই পরিষেবাতেও বিজেপি সরকারের বন্ধু সংস্থাগুলো   একচেটিয়া  অধিকার কায়েমের প্রয়াস নিচ্ছে বলে কেউ কেউ মনে করছে।তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার,জ্বালানির মতোই মোবাইলের বাজারেও অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণ কায়েম করুক সরকার,চাইছে বৃহত্তর গ্রাহকসমাজ।