ছবি : সংগৃহীত
Bangla Jago Desk : নির্বাচন চলছে।বাজারের ওঠাপড়া লেগেই আছে। শেয়ার বাজারের টালমাটাল অবস্থা। আমেরিকান ব্রোকারেজ ফার্ম বার্নস্টেইন জানিয়েছে,লোকসভা নির্বাচনের পর ভারতের শেয়ারবাজারের পতন দেখা যেতে পারে।যদিও সেই পূর্বাভাস নাও মিলতে পারে।এরমাঝে শেয়ার বাজারের স্থির অবস্থা বজায় থাকছে না। বৃহস্পতিবার দালালস্ট্রিটের ছবিতে স্পষ্ট হয়, নিফটি রেকর্ড জায়গায় পৌঁছেছে। দুপুর আড়াইটে নাগাদ দেখা যায়, সেনসেক্স ৯৮৬পয়েন্টস-এর ওপর চলে যায় । সার্বিকভাবে সেনসেক্স ২২,৯০০পয়েন্টের ওপর চলে যায়। এই প্রথম নিফটি ২২,৯০০ পয়েন্টের ওপর চলে যাওয়ায় বাজার বিশেষজ্ঞরা আশায় বুক বাঁধেন। এর আগে নিফটি ছিল ২২,৭৯৪পয়েন্টের কাছে।নিফটি মিডক্যাপ সূচক সর্বকালীন সেরা জায়গায় চলে যায় বলে অনেকের দাবি।
[আরও পড়ুন – Bandhan Bank: বন্ধন ব্যাঙ্কের মোট ব্যবসা আড়াই লক্ষ কোটি টাকা ছাড়ালো]
এইচএসবিসি ফ্ল্যাশ পার্চেজিং ম্যানেজারের সূচক বলছে,ভারতীয় অর্থনীতির প্রাণবন্ত দশা বজায় থাকতে পারে।বাণিজ্য রফতানি থেকে কর্মসংস্থানের বাজার চাঙ্গা হতে পারে বলে আশা করছে অনেকে।১৮বছরের মধ্যে এই শ্রীবৃদ্ধি আগে দেখা যায়নি বলে অনেকেই মনে করছেন।সেক্টর সূচক বলছে,অটো,তথ্যপ্রযুক্তি,রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্ক, রিয়েলটি,বেসরকারি ব্যাঙ্ক এই পর্বে সবথেকে লাভের মুখ দেখার পর্যায়ে রয়েছে।তবে ওষুধ,ধাতু,শক্তি ক্ষেত্র পিছিয়ে পরে।অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক,এল অ্যান্ড টি,মারুতি সুজুকি,ইন্ডাসল্যান্ড ব্যাঙ্ক,ইনফোসিস,বাজাজ ফিনসার্ভ,এসবিআই,টাইটান,আইসিআই ব্যাঙ্ক এই পর্বে সবথেকে লাভবান হয়েছে।সান ফার্মা,পাওয়ার গ্রিড,এনটিপিসি,জেএসডব্লুউ স্টিল,আইটিসি,টাটা স্টিল সেনসেক্স সূচকে সবথেকে পিছিয়ে রয়েছে।বাজারের গতিপ্রকৃতি যাঁরা বোঝেন তাঁরা বলছেন,ভারতে স্থায়ী সরকার না হওয়া পর্যন্ত এই ওঠাপড়া থাকবে।অস্থিরতা কাটা খুব মুশকিল।
[আরও পড়ুন – Stock market Sensex: বিশেষ বাণিজ্যিক লেনদেনের মাঝে চাঙ্গা শেয়ারবাজার সেনসেক্স ৯০পয়েন্টস, নিফটি ২২,৫০০ছুঁয়ে গেল ]
৪জুন লোকসভা ভোটের ফল বেরোনোর পর বাজারের গতিপ্রকৃতি স্থিতিশীল জায়গায় আসতে পারে।যদি দিল্লিতে স্থায়ী সরকার গঠন নিশ্চিত হয় তাহলে বিনিয়োগকারীরা দেদার বিনিয়োগ করতে এগিয়ে আসতে পারেন বলেও আশা করা হচ্ছে।ইতিমধ্যে অমিত শাহ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগে ঢালাও বিনিয়োগের ডাক দেওয়ায় তাতে আপত্তি জানিয়েছে বিরোধীরা।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়েছেন, বিদায়ী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখন ক্ষমতার কেন্দ্রে নেই। মানুষ ভোট দিতে ঠিক করবে এবার কারা সরকার গড়বে।তারমাঝে শিল্পমহলকে এই ধরণের বিনিয়োগে আহ্বান করা আসলে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের স্পষ্ট প্রমাণ বলে বাজারের নজরদাররাও মনে করছেন।