ad
ad

Breaking News

Young Footballer

প্রান্তিক গ্রাম থেকে শ্রীলঙ্কায় ফুটবল কোচিংয়ে পা রাখতে চলেছে তপনের মুক্তাদির

কয়েক মাস আগে বালুরঘাটে একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয় সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের উদ্যোগে। সেই টুর্নামেন্টে মুম্বাই থেকে আগত এক খ্যাতনামা ফুটবল কোচ প্রতিভা অন্বেষণে নজর রাখেন।

Young Footballer Muktadir Alam Selected for International Training

চিত্র: নিজস্ব

বিশ্বদীপ নন্দী, বালুরঘাট: প্রান্তিক গ্রাম থেকে আন্তর্জাতিক স্বপ্ন এমন গল্পই লিখতে চলেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন ব্লকের চাঁচড়া গ্রামের কিশোর মুক্তাদির আলম। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের উদ্যোগে আয়োজিত একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট থেকেই বিদেশে কোচিংয়ের সুযোগ পেল সে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শ্রীলঙ্কায় পাড়ি দিতে চলেছে ষষ্ঠ শ্রেণির এই পড়ুয়া, যা নিঃসন্দেহে জেলার ক্রীড়া মহলে এক বড় সাফল্য। কয়েক মাস আগে বালুরঘাটে একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয় সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের উদ্যোগে। সেই টুর্নামেন্টে মুম্বাই থেকে আগত এক খ্যাতনামা ফুটবল কোচ প্রতিভা অন্বেষণে নজর রাখেন (Young Footballer)।

প্রায় ৪৫০ জন ফুটবলারের মধ্য থেকে নয়জন প্রতিভাবান ফুটবলারকে নির্বাচন করা হয়, যাদের বিদেশে উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হবে। সেই তালিকার প্রথম নাম মুক্তাদির আলম। নির্বাচিত ফুটবলারদের মধ্যে সে-ই প্রথম বিদেশে কোচিংয়ের সুযোগ পাচ্ছে।মুক্তাদিরের বাড়ি তপন ব্লকের প্রত্যন্ত চাঁচড়া গ্রামে। বাবা মতিউর রহমান পেশায় একজন শিক্ষক। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি অদম্য টান ছিল মুক্তাদিরের। গ্রামীণ মাঠেই শুরু তার স্বপ্নের দৌড়। আজ সেই স্বপ্ন আন্তর্জাতিক রূপ নিতে চলেছে। আগামী ১৩ তারিখ সে বিদেশে রওনা দেবে। তার আগে মুম্বাইতে সাত দিনের বিশেষ ট্রেনিং শিবিরে অংশ নেবে সে।

এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কিছুদিন আগে আমরা একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের মাধ্যমে মুম্বাই থেকে আসা কোচের হাতে নয়জন ছেলেমেয়েকে নির্বাচন করিয়েছিলাম, যারা বিদেশে প্রশিক্ষণ নেবে। মুক্তাদির আজ আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। অত্যন্ত প্রান্তিক এলাকা থেকে উঠে এসে ওরা আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরবে— এই বিশ্বাস আমার আছে। ভবিষ্যতে এরা বাংলা ও ভারতের ফুটবলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে (Young Footballer)।”

নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মুক্তাদির বলে, “বালুরঘাট টাউন ক্লাব মাঠে আয়োজিত ফুটবল অনুষ্ঠানে আমাকে বিদেশে কোচিংয়ের জন্য নির্বাচন করা হয়। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সুযোগ। সবাই আশীর্বাদ করবেন।”ছেলের সাফল্যে গর্বিত বাবা মতিউর রহমান। তিনি বলেন, “চার-পাঁচ বছর বয়স থেকেই মুক্তাদিরের স্বপ্ন ফুটবলার হওয়া। ৪৫০ জনের মধ্যে আমার ছেলে নির্বাচিত হয়েছে— এটা আমাদের পরিবারের কাছে বিরাট গর্বের মুহূর্ত।” প্রান্তিক গ্রাম থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক ফুটবল মঞ্চে পা রাখার এই যাত্রা নিঃসন্দেহে দক্ষিণ দিনাজপুরের ক্রীড়া ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকল (Young Footballer)।