গ্রাফিক্স: নিজস্ব
মাধব দেবনাথ, নদিয়া: বিজয়ার পর সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নির্দেশে রাজ্যজুড়ে ব্লকে ব্লকে শুরু হয়েছে বিজয়া সম্মিলনী ও গুণিজন সংবর্ধনা। সেখানে, নতুন কর্মীরা দলীয় পতাকা হাতে তুলে নিচ্ছেন। বাংলার উন্নয়নের জন্য তৃণমূল কংগ্রেসই যে ভরসা সে কথা মাথায় রেখে যোগদান ইতিমধ্যেই বহু জেলায় এই সম্মেলনী কর্মসূচীতে যোগদান করছেন বহু। সাথে দলীয় পতাকাও হাতে তুলে নিচ্ছেন (TMC Joinings)। একইভাবে, নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার অন্তর্গত হাসখালি বগুলা তৃণমূলের উদ্যোগে হাঁসখালি বগুলা গুরুচাঁদ ভবনে একটি সভার আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুনঃ বিহার ভোট: আসন নিয়ে দড়ি টানাটানি শেষ, কে কত আসনে লড়বে?
মঙ্গলবারের এই বিজয়া সম্মেলনীতে উপস্থিত ছিলেন নদীয়ার রানাঘাট দক্ষিণের জেলা সভাপতি দেবাশীষ গাঙ্গুলী, রাজ্য নেতৃত্ব জয়প্রকাশ মজুমদার, যুব সভাপতি মুকুটমণি অধিকারী সহ তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বরা। এদিন জয়প্রকাশ মজুমদারের হাত থেকেই দলীয় পতাকা তুলে নেন ১৫০ জন সিপিএম এবং বিজেপি থেকে আসা তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা। (TMC Joinings)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial
এদিনের সম্মেলন শেষে দুর্গাপুরে রাজ্যপাল যাওয়া প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, “বলুন বিজেপির রাজ্যপাল গিয়েছিলেন দুর্গাপুরে। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কতটা আমরা জানি না, উনি বিজেপি প্রেরণিত মানুষ তাই উনি বিজেপির সুবিধার্থেই সব জায়গায় চলে যান। ওনাকে রাজ্যপাল মেনে নেওয়াটাই কঠিন। শুভেন্দু অধিকারী এমন একজন বিরোধী দলনেতা যে কিনা পশ্চিমবঙ্গ কে সর্বদা গালমন্দ ও কুৎসা করতে ভালোবাসেন। শুভেন্দু যে গাছের ফল খান সে গাছের তলায় দাঁড়িয়েই প্রস্রাব করেন। এরকম মানসিকতার লোক শুভেন্দু অধিকারী। বিশ্বাসঘাতক বা মীরজাফর বললে অনেক সময় আমার মনে হয় মীরজাফরকেও অপমান করা হয়। কারণ বাংলার মানুষ মীরজাফরের থেকেও বেশি বিশ্বাসঘাতক মনে করে শুভেন্দু অধিকারীকে।” (TMC Joinings)