চিত্র: সংগৃহীত
সনাতন গরাই, দুর্গাপুর: সংকটজনক রোগীকে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতলে নিয়ে যেতে হলে অ্যাম্বুলেন্স পেতে মাথায় হাত পরত রোগীর পরিবার-পরিজনদের। মোটা টাকা দাবি করা হতো তাদের থেকে। এই নিয়ে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ জমা পড়েছিল। এবার রাজ্য সরকার যাত্রীসাথী অ্যাপের মাধ্যমে শুরু করল নয়া পরিষেবা। পশ্চিম বর্ধমান থেকেই রাজ্যে প্রথম চালু হলো রাজ্য সরকারের নয়া প্রকল্প ‘যাত্রী সাথী’ অ্যাপে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা (West Bengal)।
মানুষের বিপদে তাদের দোরগোড়ায় দ্রুত ও সুলভ মূল্যে পৌঁছে যাবে অ্যাম্বুলেন্স। রেফারের সময়ও এক ক্লিকেই হাসপাতালে পৌঁছে যাবে অ্যাম্বুলেন্স। এই লক্ষ্যেই যাত্রী সাথী অ্যাপে জুড়লো এই নয়া পরিষেবা। এখন থেকে ‘যাত্রী সাথী’ অ্যাপে বুক করলেই রোগীর অবস্থান অনুযায়ী দ্রুত পৌঁছে যাবে নিকটতম অ্যাম্বুলেন্স। ভাড়া দিতে হবে সরকারের ধার্য করা ন্যায্য মূল্যে। এতে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের পকেটে চাপ কমবে, অন্যদিকে দালালচক্র বা অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার প্রবণতাও কমবে বলে আশা প্রশাসনের।
পশ্চিম বর্ধমান জেলায় এই পরিষেবার সূচনা হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মুখে এখন সন্তোষের হাসি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেখা গেল আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ট্রাফিক আধিকারিকদের তৎপরতা। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় প্রথম পর্যায়ে ১৭০ টি অ্যাম্বুলেন্সকে যাত্রি সাথীর আওতায় আনা হয়েছে। দুর্গাপুরেও তৎপরতার সাথে রোগীদের পাশে দাঁড়াচ্ছে পুলিশ আধিকারিকরা (West Bengal)।
তারক নায়ক বলে এক কথায়, “আমার এক আত্মীয়র অবস্থা সংকটজন। অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে মোটা টাকা দাবি করছিল। হঠাৎ ‘যাত্রী সাথী’ অ্যাপে অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যাচ্ছে সেই ব্যানার দেখা মাত্রই আমি বুকিং করলাম। অল্প টাকায় অ্যাম্বুলেন্স পেলাম। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি” আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি ট্রাফিক (৩) রাজকুমার মালাকার বলেন, “রাজ্যের মানুষের পাশে রাজ্য প্রশাসন। নয়া এই উদ্যোগে রোগীর পরিবার পরিজনকে আর সমস্যায় পড়তে হবে না। দালাল চক্রের হাত থেকেও রেহাই পাওয়া যাবে। আমরাও সকাল থেকেই তৎপর (West Bengal)।”