চিত্র- নিজস্ব
Bangla Jago Desk: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ইতিহাস গড়ে বাংলার মসনদ দখল করার পরেই রাজ্যের ক্ষমতার ভরকেন্দ্র বদলে যাচ্ছে। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এক নয়া নবকলেবরে সেজে উঠছে বিধানসভা ভবন। শনিবার, ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্রজয়ন্তীর পুণ্যলগ্নেই শপথ নিতে চলেছে নতুন সরকার। আর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের আগে নবান্ন নয়, বরং বিধানসভাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে তুমুল ব্যস্ততা।
বিধানসভায় ‘গেরুয়া’ সাজ ও নামফলক বদল
ইতিমধ্যেই বিধানসভা ভবনের ভোলবদল শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, গোটা ভবনটি গেরুয়া আলোয় মুড়ে ফেলার প্রস্তুতি চলছে এবং তার জন্য ৩৫০টি বিশেষ আলোর সেট আনা হয়েছে। ভিতর থেকে বিদায়ী মন্ত্রীদের পাশাপাশি বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নামফলকও খুলে ফেলা হয়েছে। বর্তমানে শুধুমাত্র স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রীর পদের নামফলক রাখা আছে, যেখানে শনিবারের পর নতুন বিজয়ীদের নাম বসানো হবে।
নতুন লালচে র্যাম্প ও প্রতীকি বসা
সবচেয়ে চমকপ্রদ পরিবর্তনটি লক্ষ্য করা যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর ঘরের ঠিক পিছনে। বাগান দিয়ে বেরনোর জন্য একটি নতুন স্থায়ী ‘লালচে’ রঙের র্যাম্প তৈরি করা হচ্ছে । মনে করা হচ্ছে, শনিবার ব্রিগেডে শপথ নেওয়ার পর ভাবী মুখ্যমন্ত্রী প্রতীকীভাবে বিধানসভায় এসে তাঁর আসনে বসতে পারেন । এই কারণেই শনিবার বিধানসভার সমস্ত কর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং সচিবালয়ের সমস্ত বন্ধ ঘর খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নবান্ন নয়, লক্ষ্য মহাকরণ
বিজেপি সরকার আগেই স্পষ্ট করেছে যে, তাদের কর্মকাণ্ড নবান্ন থেকে নয়, বরং ঐতিহাসিক মহাকরণ বা রাইটার্স বিল্ডিং থেকে পরিচালিত হবে। তবে মহাকরণ সংস্কারের কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আগামী অন্তত ৬ মাস বিধানসভা থেকেই সচিবালয় এবং মন্ত্রিসভার কাজ চালানো হবে। বিধানসভা চত্বরে থাকা প্ল্যাটিনাম জুবিলি হলটিকে আপাতত নতুন সচিবালয় হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে