চিত্র- সংগৃহীত
জয় চক্রবর্তী: পঁচিশে বৈশাখ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ হবে। সকাল দশটায় এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য নবান্নতে এসে জানিয়ে দিলেন। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়াল উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক করেছেন মন্ত্রিসভা গঠন হওয়ার পরে কাজ কোথা থেকে করা হবে তা নিয়ে। নবান্ন থেকে যেহেতু মন্ত্রিসভা চলবে না এটা সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছিল সেই কারণে মহাকরণ বিজেপির পছন্দ। কিন্তু মহাকরণের কাজ এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। সেই কারণেই পূর্ত দফতরকে ইতিমধ্যেই বলা হয়েছে মহাকরণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে।
কিন্তু ততদিন পর্যন্ত কোথায় মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য মন্ত্রীরা কাজ করবেন? নবান্ন সূত্রে খবর, বিধানসভাতেই মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্য বিভিন্ন মন্ত্রীরা তাদের কাজ করবেন। বিধানসভার অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীরা বসবেন এবং সরকারি কাজ করবেন। মহাকরণ রিকনস্ট্রাকশন হয়ে যাবার পরেই সেখান থেকেই রাজ্য পরিচালিত হবে।
ইতিমধ্যে সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল ২৯৩টি আসনের সম্পূর্ণ ফলাফল এবং অন্যান্য তথ্য নিয়মমাফিক রাজ্যপাল আর এন রবিকে দিয়ে এসেছেন। বুধবার পর্যন্ত ছিল মা-মাটি-মানুষ সরকারের শেষ দিন। এবার অপেক্ষা নতুন সরকারের। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির কাছে গোহারা হেরেছে তৃণমূল। এমনকি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে দ্বিতীয়বার হেরেছেন। সেই অর্থে শুভেন্দু অধিকারী নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্বভার নেবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। নিয়মমাফিক কাজের পর সরকারিভাবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আগামী ৯ মে, পঁচিশে বৈশাখ রবীন্দ্রনাথের জন্মদিনেই বাঙালিয়ানাকে ভরসা করে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে হবে।