চিত্র : সংগৃহীত
Bangla Jago Desk : বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকার রাজ্যের সব বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে বৈঠক ডেকেছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতালের প্রতিনিধি ও রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্তাদের ওই বৈঠকে থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে স্থগিত করে দেওয়া হল সেই বৈঠক। কিন্তু কেন? বুধবার বিকেলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবারের ওই বৈঠক বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। নবান্নের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, পরবর্তী সময়ে আবার কবে এই বৈঠক হবে, সে বিষয়ে কোনও ধারণা নেই। কী কারণে বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে, তা নিয়ে একাংশের মনে ধোঁয়াশাও তৈরি হয়েছে। তবে প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালগুলিতে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণেই আপাতত বৃহস্পতিবারের ওই বৈঠক স্থগিত রাখা হয়েছে। ফের কবে এই বৈঠক হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
[ আরও পড়ুন : শহরের তিন প্রান্তে ইডির হানা, তালিকায় রয়েছে সন্দীপের পৈতৃক ভিটেও ]
প্রসঙ্গত, আরজি কর মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে চিকিৎসকছাত্রীর ধর্ষণ ও মৃত্যুর ঘটনার এক মাস পার। এখনো এই ঘটনার কোন সুরাহা হয়নি। সুপ্রিম কোর্টে চলছে এই মামলার শুনানি। এমতাবস্থায় রাজ্য থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষ দফাই দফাই আন্দোলনের সামিল হচ্ছে। সেইমতোই জুনিয়র চিকিৎসকরা অবস্থান-বিক্ষোভ করছেন। সুপ্রিম নির্দেশকে অমান্য করে জুনিয়র ডাক্তারেরা এখনো লাগাতার কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন। সুতরাং স্বাস্থ্যপরিসেবা একপ্রকার প্রশ্নচিহ্নের মুখে তা বলাই যায়। এমতাবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মুখ্য সচিব মনোজ পন্থকে ডেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেন, রাজ্যের সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে একটি বার্তা দিতে হবে। কি সেই বার্তা? এরপর থেকে কোন বেসরকারি হাসপাতাল আর রোগীকে ফেরাতে পারবে না। যে সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালগুলি স্বাস্থ্য সাথী কার্ড উপেক্ষা করেন তারাও এরপর থেকে আর স্বাস্থ্য সাথী কার্ড ফেরাতে পারবেন না। মানুষের স্বাস্থ্যপরিসেবা যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয় তার দিকে কড়া নজর দিতে হবে।
[ আরও পড়ুন : Tollywood: অরিন্দম- জয়জিৎ এবার অতীত, তালিকায় রয়েছে একাধিক! টলিপাড়ায় হচ্ছেটা কী? ]
নবান্ন সূত্রে খবর, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালের কর্তাদের নবান্নে বৈঠকে হাজির করে এই বার্তা দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার নবান্নে শিল্পপতিদের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠক ছিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর। মমতার সেই বৈঠকের পর রাজ্যের মুখ্য সচিব এবং রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীকে আলাদা করে ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর তাদের পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালের কাছে কি বার্তা দিতে হবে।