চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: আজ বৃহস্পতিবার, বাংলায় গণতন্ত্রের মহাউৎসবের প্রথম দিন। কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনীতে উত্তরবঙ্গ থেকে রাঢ়বঙ্গের ১৬টি জেলার ১৫২টি বিধানসভা আসনে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। সকাল থেকেই বুথে বুথে সাধারণ মানুষের লম্বা লাইন চোখে পড়ছে। আর এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে সাতসকালেই নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন রাজ্যের হেভিওয়েট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও প্রার্থীরা।
ভোট দিলেন শুভেন্দু-অগ্নিমিত্রারা
নন্দীগ্রামের হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী সকালে নিজের ভোট দিলেন। অন্যদিকে, আসানসোল উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের এলআইসি-র ৪৩ নম্বর বুথে ভোট দিলেন আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল। উল্লেখ্য, অগ্নিমিত্রা নিজে আসানসোল উত্তরের ভোটার। নিজের কেন্দ্রে ভোট দিতে উপস্থিত হয়েছিলেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর-ও। শম্ভুনাথ প্রাথমিক শিক্ষা সদনের ৭ নম্বর বুথে ভোট দেন তিনি।
সোনার মেয়ের ‘প্রথম’ ভোট
এবারের নির্বাচনের অন্যতম আকর্ষণ জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ আসনের তৃণমূল প্রার্থী তথা এশিয়াডে সোনা জয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মন। এদিন সকালে পাতকাটা ঘোষপাড়া বিএফপি স্কুলের ১৮/১৯৭ নম্বর বুথে মা-কে সঙ্গে নিয়ে হাজির হন তিনি। বুথের প্রথম ভোটার হিসেবে নিজের ভোটটি দিয়ে দিন শুরু করেন স্বপ্ন।
পাপুড়িতে কাজল শেখ, রেজিনগরে হুমায়ুন কবীর
নানুরের পাপুড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিজের ভোট দিলেন হাসন বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী কাজল শেখ। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের সোমপাড়া ১ গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের বুথে ভোট দিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। ভোট শুরুর আগে শিলিগুড়ির তরুণতীর্থ ক্লাব সংলগ্ন মন্দিরে পুজো দিয়ে দিন শুরু করেন সেখানকার বিজেপি প্রার্থী শংকর ঘোষ। দুর্গাপুর পূর্বের তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ মজুমদারও শ্মশান কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে বুথ পরিদর্শনে বেরোন।
ইভিএম বিভ্রাটে বিঘ্নিত ভোটদান
ভোট শুরুর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় বেশ কিছু জায়গায় ইভিএম (EVM) বিকল হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। বড়ঞা বিধানসভার ১৫৬ নম্বর বুথ এবং শমসেরগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের ২১২ নম্বর বুথে ইভিএম ত্রুটির কারণে ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে থমকে যায়। কান্দি বিধানসভার ১৩০ নম্বর বুথেও ভোট শুরু হতে দেরি হয়েছে। এছাড়া নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া এবং কোচবিহার টাউন হাইস্কুলের ২২৯ নম্বর বুথে ইভিএম বিভ্রাটের জেরে প্রায় এক ঘণ্টা ভোটদান বন্ধ থাকে।
এখনও পর্যন্ত বড় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর নেই। প্রদীপ মজুমদারের দাবি, “এখনও পর্যন্ত কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি। আমি বিধানসভার বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাব এবং ভোটারদের কোনও সমস্যা হলে পাশে দাঁড়াব।”