চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: বাজেট পেশের পর সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় রিপোর্ট অনুযায়ী রাজ্যের বেকারত্ব ৪৫.৬৫ শতাংশ কমেছে এবং ১ কোটি ৭২ লক্ষের বেশি মানুষকে দারিদ্রসীমার বাইরে আনতে সক্ষম হয়েছে সরকার।
এ দিনের বাজেটে সামাজিক প্রকল্পগুলিতে একগুচ্ছ ঘোষণা করা হয়েছে। ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে, সিভিক ভলান্টিয়ার ও প্যারা টিচারদের সম্মানিক বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং নতুন সামাজিক প্রকল্পও ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরেই বিরোধীরা দাবি করেন, এই বাজেট শুধু ভোটের গিমিক। কিন্তু মমতা পাল্টা দাবি করেন, কেন্দ্র থেকে রাজ্য ২ লক্ষ কোটি টাকা পাওয়ার কথা থাকলেও এখনও সেই অর্থ দেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, “বাংলা মানেই হামলা, বাংলা মানেই জুমলা, বাংলা মানেই ভোট কাটার রাজনীতি।” পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাজেটকে ‘অ্যাকশনহীন, ভিশনহীন, মিশনহীন এবং লাইনচ্যুত’ বলে সমালোচনা করেন তিনি।
অন্যদিকে রাজ্যে আশা কর্মীদের একাংশ ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা বেতনসহ একগুচ্ছ দাবিতে আন্দোলন করছেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে মমতা বলেন, এই বাজেটে আশা কর্মীদের মাসিক ভাতা ১০০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং তাদের জন্য ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আশা ও ICDS কর্মীদের মাতৃত্বকালীন ছুটি থাকা উচিত। তারা সরাসরি সরকারি কর্মী না হলেও সরকারের কাজের সঙ্গে জড়িত। আগে কেন্দ্র সরকার তাদের মাসিক ৮০০ টাকা দিত, কিন্তু আমি ক্ষমতায় এসে ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা করে দিতে শুরু করি। তারা অতিরিক্ত কাজ করলে ইনসেনটিভও পান। এবার আশা কর্মীদের ভাতা ১০০০ টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে।”
এই ঘোষণা আন্দোলনকে কিছুটা প্রশমিত করবে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অন্যদিকে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান দাবি করেছেন, সামাজিক সুরক্ষা যোজনা সংক্রান্ত প্রকল্পের ক্ষেত্রে এই সরকারের অর্জন ‘সেঞ্চুরি হাঁকানোর মতো’।