গ্রাফিক্স: নিজস্ব
সনাতন গরাই, দুর্গাপুর:
কারখানার ধোঁয়া তখন ছিল না ছিল কোন ইস্পাত কারখানা, না তো বড় বড় অট্টালিকা। ছিল শুধুই জঙ্গল। তার মাঝে শ্মশানে সাধনা করতেন অক্ষয় রায়। মায়ের স্বপ্নদেশে ইংরেজির ১৮৫২ সালে সিপাহি বিদ্রোহের ঠিক পাঁচ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই কালীমন্দির (Viringi Kali)। সময় কেটেছে প্রায় দেড় শতাব্দীরও বেশি, কিন্তু ভক্তদের বিশ্বাস আজও একচুল টলেনি। বরং যুগের পর যুগ পেরিয়ে বেড়েছে, গভীর হয়েছে সেই আস্থা। জানেন কী সেই মন্দিরের ইতিহাস?
আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান-বালোচিস্তান আলাদা দেশ, সালমানের মন্তব্যে বিতর্ক নেটপাড়ায়
সিপাহী বিদ্রোহের আগে মাথা তুলেছিল এই শ্মশান কালী! pic.twitter.com/PFPTopo2Y9
— BanglaJago Tv (@BanglaJagotv) October 20, 2025
লোককথায় শোনা যায়, সিদ্ধপুরুষ তান্ত্রিক অক্ষয়কুমার রায় স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। তারপর থেকে মা ভিড়িঙ্গি কালী যেন দুর্গাপুরের প্রাণ হয়ে উঠেছেন। দেশ-বিদেশ থেকে ভক্তরা আসেন বেনাচিতি বাজারের এই পীঠস্থানে, যেখানে বিশ্বাস, ভক্তি আর অলৌকিকতার এক অপূর্ব মিলন ঘটে প্রতিদিন। সেই বিশ্বাসের জোরেই এই শ্মশানকালী মন্দির আজ পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম জাগ্রত তীর্থক্ষেত্র। (Viringi Kali)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial
অগ্রহায়ণ মাসের অমাবস্যার রাতেই হয় দেবীর বাৎসরিক পুজো। তবে দীপান্বিতা অমাবস্যার দিনও ভিড় এমন যে পা ফেলাও দুষ্কর। সারারাত ধরে চলে হোমযজ্ঞ, পুজো-অর্চনা আর ধর্মীয় সংগীত। ভক্তদের সুবিধার জন্য মন্দিরে রয়েছে নিজস্ব অতিথিনিবাস। মন্দির প্রাঙ্গণে রয়েছে বিপত্তারিণীসহ একাধিক দেব-দেবীর মন্দির। আরৎসরভর চলে পুজোপাঠ। বিমলা রায় নামের এক পুণ্যার্থী বলেন,”মাঝেমধ্যেই আসি। মায়ের পুজো দিই। মা খুবই জাগ্রত। আমরা মায়ের কাছে যা প্রার্থনা করেছি তাই পেয়েছি।” (Viringi Kali)