ad
ad

Breaking News

Twelve Temples

Twelve Temples: ২ শতবছরের ঐতিহ্যের সাক্ষী বাঙ্গিহাটির বারো শিবের টিলা

জমিদারি পরিদর্শনে গরুর গাড়ি করে বেরোলে সেই গাড়ির চাকা আটকে যায় বাঙ্গিহাটি গ্রামে। বহু চেষ্টা করেও চাকা না উঠলে জমিদার ধ্যানে বসেন। কথিত আছে, তখনই তিনি শিবের দর্শন পান এবং ওই স্থানেই মন্দির গড়ার নির্দেশ পান।

Twelve Temples: Bangihati’s 200-Year-Old Shiva Complex

চিত্র: নিজস্ব

Bangla Jago Desk: সৌগত রায়, হুগলি: হুগলির শ্রীরামপুর মহকুমার রাজ্যধরপুর পঞ্চায়েতের বাঙ্গিহাটি গ্রাম আজও গর্ব করে বয়ে বেড়াচ্ছে এক ঐতিহাসিক স্থাপত্যকে। ২০০ বছরেরও বেশি পুরনো এই বারো শিবের মন্দির শুধু ধর্মীয় আস্থার কেন্দ্র নয়, স্থানীয় ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিদার রুদ্রপ্রসাদ চৌধুরী কাশী সফরে বেরিয়ে ছিলেন বিশ্বনাথ মন্দির তৈরির সংকল্প নিয়ে। তবে যাত্রাপথে তাঁর নৌকা আটকে যায় শেওড়াফুলির নিস্তারিণী কালী মন্দির ঘাটে। সেখানেই তিনি স্বপ্নাদেশ পান এবং ফিরে এসে নিজের জমিদারি এলাকায় শিবমন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নেন।

[আরও পড়ুনঃ বিপদসীমা অতিক্রম! যমুনা নদীর জলস্তর বৃদ্ধিতে জারি সতর্কতা]

জমিদারি পরিদর্শনে গরুর গাড়ি করে বেরোলে সেই গাড়ির চাকা আটকে যায় বাঙ্গিহাটি গ্রামে। বহু চেষ্টা করেও চাকা না উঠলে জমিদার ধ্যানে বসেন। কথিত আছে, তখনই তিনি শিবের দর্শন পান এবং ওই স্থানেই মন্দির গড়ার নির্দেশ পান। এরপর রাজস্থান থেকে প্রতি বছর একটি করে শিবলিঙ্গ আনা হতো গরুর গাড়িতে। প্রতি বছর একটি করে মন্দির নির্মাণের মাধ্যমে ১২ বছরে গড়ে ওঠে বারো শিবের মন্দির।

FB POST: https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial

কয়েক দশক পরে শিবমন্দিরকে কেন্দ্র করে একাধিক দেবদেবীর মন্দিরও গড়ে ওঠে। আজও বারো মন্দির চত্বরে ভক্তদের ভিড় হয় চোখে পড়ার মতো। শ্রীরামপুরের ঐতিহাসিক এই বারো শিবের মন্দির শুধুই পুজো-আচ্চার স্থান নয়, বরং অতীত ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে আজও মানুষের কেন্দ্রবিন্দু।