ad
ad

Breaking News

Bangaon

অ্যাডমিট না আসায় পরীক্ষায় বসা হল না বনগাঁর তিন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর

যদিও নিউ বনগাঁ গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সোমা সরকার বলেন,  স্কুল এবং বোর্ডের গাফিলতির কারণে একটি মেয়ে পরীক্ষা দিতে পারল না। অন্য দুটি মেয়ে পরীক্ষা দিতে পারলেও একটি মেয়ে পরীক্ষা দিতে পারেনি।

Three secondary school students from Bangaon did not sit for the exam due to non-availability of admit cards

নিজস্ব চিত্র

Bangla Jago Desk: সোমবার থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। কিন্তু সেই পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া থাকলেও বসা হলনা পরীক্ষায়। এমনই ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায়।

রানিহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ে দুই ছাত্র শুভজিৎ খাঁ , দীপ মন্ডল  এবং নিউ বনগাঁ গার্লস স্কুলের এক ছাত্রী সঞ্চিতা বিশ্বাস এডমিট কার্ড না আসার কারণে এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে পারল না। জানা গিয়েছে, স্কুলের শিক্ষকদের গাফিলতির জন্যই তাদের একটা বছর ক্ষতি হয়ে গেল বলে অভিযোগ তোলে ছাত্ররা।

এই বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য এডমিট কার্ড আসার পরে গত শুক্রবার স্কুলের তরফ থেকে এই দুই ছাত্রের পরিবারের কাছে ফোন করা হয়েছিল। অভিভাবকদের স্কুলে গিয়ে দেখা করবার জন্য বলা হয়েছিল। অভিভাবকরা না যেতে পারলেও ছাত্ররা স্কুলে গিয়ে দেখা করে। তাদেরকে স্কুলের তরফ থেকে ১৬ হাজার টাকা করে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তাদের আধার কার্ড ও জন্মের সংশয়পত্র নিয়ে দেখা করার জন্য বলা হয়। কিন্তু শনিবার অভিভাবকরা স্কুলে গেলেও তাদের এডমিট কার্ড এর কোন ব্যবস্থা হয়নি। এবং স্কুলের তরফ থেকে এবছর আর পরীক্ষা দিতে পারবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয় তাদের। আরো একটা বছর প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বলা হয় তাদের।

ছাত্রদের অভিযোগ, তারা টেস্ট পরীক্ষায় পাশ করবার পরে এডমিনদের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়েছিল। কি কারণে এডমিট এলোনা তা তারা  জানে না। স্কুলের শিক্ষকের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে তারা।

যদিও নিউ বনগাঁ গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সোমা সরকার বলেন,  স্কুল এবং বোর্ডের গাফিলতির কারণে একটি মেয়ে পরীক্ষা দিতে পারল না। অন্য দুটি মেয়ে পরীক্ষা দিতে পারলেও একটি মেয়ে পরীক্ষা দিতে পারেনি। এটা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অসহযোগিতার জন্য হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।

অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রানিহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তার দাবি শিক্ষকদের গাফিলতির কথাটা স্বীকার করতে পারছি না।  কারণ আমরা এডমিট না আসার পরেই দপ্তরে যোগাযোগ করেছিলাম। অভিভাবকদেরকে শুক্রবার স্কুলে আসতে বলেছিলাম। ওটিপি না আসার কারণে আমরা ওদের আবেদন জমা করতে পারিনি। স্কুলের তরফ থেকে টাকা চাওয়া প্রসঙ্গ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন।