ad
ad

Breaking News

Train accident

Karamandal Express: বছর ঘুরলেও রেল দুর্ঘটনায় মৃত পরিবারের কথা রাখেনি রেল, স্বজনহারানো পরিবারার ভরসা রাজ্য

বছর ঘুরে গেলেও রেল দুর্ঘটনায় মৃত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের যাত্রীর পরিবার এখনও চাকরি পায়নি।

The railway has not kept the family of those who died in the train accident

ছবিঃ নিজস্ব

Bangla Jago Desk: বছর ঘুরে গেলেও রেল দুর্ঘটনায় মৃত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের যাত্রীর পরিবার এখনও চাকরি পায়নি। এখনও অসহায় অবস্থায় রয়েছেন পটাশপুরের মানস মাইতির পরিবার। কিভাবে দিন চলবে তা ভেবে পাচ্ছেন না এই পরিবার। চাকরি না মেলায় চরম সঙ্কটে পড়েছেন তাঁর স্ত্রী। কেন রেল দফতর কথা দিয়ে কথা রাখেনি তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ? কেন কেন্দ্রীয় সরকার, স্বজনহারানো  পরিবারের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে না তাই নিয়েও ক্ষোভ বাড়ছে। 

১বছর আগে .অভিশপ্ত উড়িষ্যার বালেশ্বরে করমণ্ডল দুর্ঘটনায় প্রাণ গিয়েছিল প্রায় ৩০০মানুষের।মৃতদের তালিকায় ছিলেন অনেকেই।যাঁদের পরিবারকে সাহায্য দেবে বলে কথা দিয়েছিল রেল।কিন্তু কথা দিয়ে কথা রাখে নি অশ্বিনী বৈষ্ণোর দফতর। দুর্ঘটনায় দায় নেওয়ার  জন্য যেমন রেল দফতরের গাফিলতি দেখা যায়,তেমনই আবার  কল্যাণ রাষ্ট্রের পরম্পরা মানার  কর্তব্য পালনেও কেন্দ্রের ব্যর্থতা দেখা যায়। যাঁরা গ্যাঁটের টিকিট কেটে ট্রেন চেপেছিলেন,তাঁদের অনেকেই কাণ্ডজ্ঞানহীন রেল প্রশাসনের জন্য প্রাণ দেন বলে যাত্রীদের অভিযোগ।এখানেই শেষ নয়,মৃত রেল যাত্রীদের পরিবারকে চাকরি দেওয়ার রীতি ভঙ্গ করেছে মোদি সরকার।যার জ্বলন্ত উদাহরণ হল পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের মানস মাইতির পরিবার।এক বছর পেরিয়ে গেলেও মেলেনি চাকরি,অনটনের জ্বালা সহ্য করেই জীবন কাটাতে হচ্ছে এই অসহায় পরিবারকে। দীর্ঘশ্বাস বুকে নিয়েই লাইফলাইনের যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছে মানস মাইতির পরিবার।মেয়েকে নিয়ে  জীবনযুদ্ধের পথ চলা বড় মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁদের।

[আরও পড়ুন: FIRE BREAKOUT: ভোরবেলাতেই ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড কলকাতায়, গার্স্টিন প্লেসে পুড়ে ছাই বাড়ির একাংশ

রাজ্য সরকার অনেক পরিবারকে চাকরি দিয়েছে।তবু রেল কিছুই কেন করল না,এই প্রশ্নই ঘুরেফিরে উঠছে রেল যাত্রীদের পরিবারের মধ্যে।মানস মাইতির প্রতিবেশীরা বলছেন,সবকিছু ছেড়ে সবার আগে রেল দফতর এই স্বজনহারানো পরিবারগুলোর স্থায়ী চাকরির সংস্থান করুক,নাহলে যাত্রী নিরাপত্তায় রেল চরম অবহেলা করছে একথা প্রমাণ হবে। মানবিক দিক থেকেও বিষয়টি ভেবে দেখুক রেল কর্তারা,বঞ্চনা আর হতাশা বুকে নিয়ে আর্জি জানাচ্ছেন দলমত নির্বিশেষে মানুষ।

রেলের গাফিলতিতে হতবাক সকলে। এখন প্রতিবেশীরা চাইছেন, মানস মাইতির স্ত্রীর একটি সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করুক রাজ্য সরকার। পঞ্চায়েতের সদস্য মানবিক দিক থেকে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে বিষয়টি আনার আশ্বাস দিয়েছেন। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনা মনে করিয়ে দিয়েছে করমন্ডল এক্সপ্রেস এর দুর্ঘটনার কথা। এখনো চাকরি পায়নি যাঁরা তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের গ্যারান্টিকে কটাক্ষ করতেও ছাড়ছে না।