ad
ad

Breaking News

Sundarbans fishermen

Sundarbans fishermen: সুন্দরবনের মৎস্যজীবীদের ‘হাই ফ্রিকোয়েন্সি’ রেডিয়ো সেটে বাংলাদেশী জাহাজের কথোপকথন! চাঞ্চল্য

গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান মৎস্যজীবীরা। সামাজিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় দিনের পর দিন কাটাতে হয় গভীর সমুদ্রে

The conversation of Bangladeshi ships on the 'high frequency' radio set of Sundarbans fishermen! Sensation

নিজস্ব ছবি

Bangla Jago Desk,জাহেদ মিস্ত্রী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান মৎস্যজীবীরা। সামাজিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় দিনের পর দিন কাটাতে হয় গভীর সমুদ্রে। একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হাই ফ্রিকোয়েন্সি রেডিয়ো। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বা অন্যান্য খবর জানতে তাদের যোগাযোগের মাধ্যম এই রেডিয়ো।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অনেক সময়েই মাছ ধরা বন্ধ রেখে তাদের ফিরে আসতে হয় রেডিয়ো বার্তা পেয়ে।বর্ষার মরসুম শুরু হয়েছে। শুরু হয়েছে মাছ ধরার মরসুম। সুন্দরবনের প্রায় ৯ হাজার মৎস্যজীবী ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছেন। তাদের সঙ্গে যে হাই ফ্রিকোয়েন্সি রেডিয়ো রয়েছে সেখানে বাংলাদেশী জাহাজের কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। আর এই নিয়ে শুরু হয়েছে চাঞ্চল্য। হঠাৎ বাংলাদেশী জাহাজের কথোপকথন কেন রেডিয়োতে শোনা যাচ্ছে? টেকনিক্যাল সমস্যা না অন্য কোন কারণ? এর পেছনে অন্য কোন কারণ নেই তো এই নিয়ে প্রশ্ন জাগছে মৎস্যজীবীদের মনে।

তাদের হাই ফ্রিকোয়েন্সি হ্যাক হয়নি তো! এর পিছনে হ্যাকারদের কোন হাত নেই তো?সাধারণত যারা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান তাদেরকে সরকারি ভাবে দেওয়া হয় ভেরি হাই ফ্রিকোয়েন্সি রেডিয়ো সেট। এই রেডিয়োতে কার্যকরী বার্তা পাচ্ছেন না বলে মৎস্যজীবীরা জানিয়েছেন। উল্টে বাংলাদেশী কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। এর ফলে গভীর সমুদ্রে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে মৎস্যজীবীদের।প্রতি বছরই মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলারডুবি হয়ে মৎস্যজীবীদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটে। কারও কারও হদিশ মেলে না। অথচ, ট্রলারগুলির সঙ্গে মৎস্য বন্দরগুলির যোগাযোগ রাখার জন্য প্রতিটি ট্রলারেই রয়েছে ভিএইচএফ (ভেরি হাই ফ্রিকোয়েন্সি) রেডিয়ো সেট। একটি নির্দিষ্ট চ্যানেলে বন্দরের সঙ্গে বারো থেকে পনেরো নটিক্যাল মাইল থেকে যোগাযোগ করতে পারেন মৎস্যজীবীরা। আবহাওয়ার উপরে নির্ভর করে আরও বেশি দূর থেকেও। সমুদ্রের মধ্যে প্রতিটি ট্রলার পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে এই রেডিয়ো সেটের মাধ্যমে।উপকূল রক্ষী বাহিনীও ট্রলারগুলির মধ্যে কথোপকথন শুনতে পায় ওই নির্দিষ্ট চ্যানেলে কথা বললে। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় যখন চ্যানেল বদল করা হয়। ওয়্যারলেস মেসেজ পাঠানোর প্রথাগত প্রশিক্ষণ আর বৈধ রেডিয়ো সেট এই দুটোর কোনওটাই নেই অধিকাংশ মৎস্যজীবীর ও ট্রলার বা বন্দরে। এমনকী, মৎস্যজীবীদের ওয়্যারলেস সেট ব্যবহারের জন্য ভারত সরকার ‘ইনল্যান্ড লাইসেন্স’ (রেডিয়ো টেলিফোনিক লাইসেন্স) চালু করলেও তা সে বিষয়ে তাঁদের কোনও ধারণাই নেই বলে জানিয়েছেন মৎস্যজীবীরা। এর ফলে বহু ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ থেকে কলকাতা বন্দরে যাতায়াত করা বার্জগুলির কথোপকথনও শোনা যায় ট্রলারগুলির ভিএইচএফ রেডিয়োয়। মৎস্যজীবীদের এই সমস্যার কথা প্রশাসনের কানে পৌঁছেছে। বিষয়টি আসলে কী তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।