ছবিঃ নিজস্ব
Bangla jago Desk: রোগীদের স্বার্থে চিকিৎসকদের কাজে যোগ দেওয়ার আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের চিকিৎসকদের একাংশ তাতে সাড়া দিয়েছেন। কিন্তু রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজও হাসপাতালের ডাক্তাররা কাজে যোগ না দেওয়ায় বাঁধে বিপত্তি। থমকে যায় সিউড়ির বিশ্বরূপ ধরের জটিল অপারেশন। বাংলা জাগোর প্রতিবেদকের কাছে একথা জানার পরই উদ্যোগ নেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক হিমাদ্রি আড়ি। তাঁর নির্দেশে জট কাটে। মঙ্গলবার হবে সেই অপারেশন।
সব চিকিৎসক কাজে যোগ না দেওয়ায় জটিলতা বেড়েছে। রোগীরা পুরোপুরি পরিষেবা পাচ্ছেন না। অনেককেই হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনে সাড়া দিয়ে বেশকিছু জেলা হাসপাতাল, ব্লক হাসপাতালের চিকিৎসকরা কাজে যোগ দিয়েছেন। তবে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসকরা এখনও কাজে যোগ দেননি। যারজন্য জটিল রোগীরা সমস্যার মুখে পড়ছেন। যার অন্যতম উদাহরণ হল সিউড়ির বিশ্বরূপ ধর।
দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যনালীর জটিল একটি সমস্যায় ভুগছেন তিনি। বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করানোর পর তাঁকে অপারেশন করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। অপারেশনের যা বাজেট তা তার পক্ষে বহন করা সম্ভব হয়নি। তাই তিনি রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর মাধ্যমে সেখানে অপারেশনের সমস্ত রকম ব্যবস্থা হয়। গত সোমবার তার অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অপারেশন করা যায়নি চিকিৎসকরা কাজে যোগ না দেওয়ায়। চরম বিপাকে পড়েন রোগী ও রোগীর পরিজন।
আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদে এখনও রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসকরা স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু না করার কারণে তাঁর অপারেশন করা সম্ভব হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে বাংলা জাগোর প্রতিবেদকের মানবিক উদ্যোগে জট খোলে। দিশা মেলে জটিল অপারেশনের বিষয়ে। মঙ্গলবার জেলার হিমাদ্রি আড়ি মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক আমাদের প্রতিনিধির কাছ থেকে তথ্য মেলার পর চিকিত্সকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।সেইমতো জটিল অপারেশনের ব্যবস্থা হয়েছে। সোমবার বিশ্বরূপ ধরকে হাসপাতালে ভর্তি হতে বলা হয়েছে ,তারপরই অপারেশন করা হবে এই প্রবীণ রোগীর।