ad
ad

Breaking News

Kalipuja

বাহারি আলোর ঝলকে নিষ্প্রভ প্রদীপ,জীবিকার শিখা বাঁচাতে লড়ছেন শিল্পীরা

বাহারি বৈদ্যুতিন আলোর ঝলকে যাতে প্রদীপ নিষ্প্রভ না হয় সেজন্য লড়াই করছেন বীরভূমের কারিগররা।

The artists are fighting to save the flame of livelihood, the dull lamp in the bright light

Bangla Jago Desk: বাহারি বৈদ্যুতিন আলোর ঝলকে যাতে প্রদীপ নিষ্প্রভ না হয় সেজন্য লড়াই করছেন বীরভূমের কারিগররা। কৃত্রিম আলো নয়,দীপান্বিতা কালী পুজোয় মাটির প্রদীপকেই বেছে নিন। আবেদন করছেন সিউড়ির হাটজান বাজারের মৃৎশিল্পীরা। শিল্পীদের আশা, একদিন ধর্মপ্রাণ মানুষ চিনা আলোর চটকদারি ছেড়ে এই প্রদীপকেই বেছে নেবে। 

[আরও পড়ুনঃ মায়াপুর ইস্কনে ১মাস ধরে চলে দীপ দান উৎসব

দীপান্বিতা অমাবস্যায় প্রদীপ জ্বালানোর রীতি রয়েছে। কালীপুজোর দিন ঘরে ঘরে ১০৮টি প্রদীপ জ্বালানো হয়। কিন্তু আধুনিক যুগে প্রদীপের শিখাকে ছাপিয়ে যাচ্ছে চিনা আলো। চটকদারিত্বে বা নজর কাড়তে অনেকেই দীপাবলীতে বাহারি বৈদ্যুতিন আলোয় সাজিয়ে তোলেন বাড়ির পরিসর। তবুও কুমোরপাড়ার সদস্যরা রঙিন আলোর রোশনাইয়ের মাঝে প্রদীপের শিখা ছড়িয়ে দিতে লড়াই করছেন। হার না মানা মানসিকতা নিয়ে প্রদীপে কারুকার্য করছেন। 

কৃত্রিম আলোয় নয়,মাটির প্রদীপে আলোর বের অঙ্গন যাতে ভরে ওঠে তার জন্য প্রাণপন লড়াই করছেন বীরভূমের হাটজান বাজারের মৃৎশিল্পীরা। মাটির মানুষরা এখন নেশার টানে পেশা বাঁচানোর পণ করেছেন। বনেদিয়ানা বা ঐতিহ্যের মেলবন্ধন ঘটানোর এই শিল্পকর্ম আবহাওয়ার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বৃহস্পতি ও শুক্রবারের বৃষ্টির জন্য তাঁরা প্রদীপ শুকোতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। এখন রুখা-সুখা লালমাটির জেলার কারিগররা, বেশি করে মাটির প্রদীপ তৈরি করে কুটিরশিল্পকে আলাদা আঙ্গিক দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

[আরও পড়ুনঃ চারমাস ধরে নিখোঁজ! জেলাশাসকের বাংলোর সামনেই মাটি খুঁড়ে মিলল দেহ

সিউড়ির হাটজন বাজার কলোনির ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের পাল পরিবার আজও সেই মাটির তৈরি ভাঁড় থেকে শুরু করে প্রদীপ সহ একাধিক সামগ্রী তৈরি করে আসছে। প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার ছোট প্রদীপ তৈরি করেছেন এই শিল্পীরা। একদিকে, আকাশের খাওখেয়ালিপনা আর অন্যদিকে মাটির দাম বাড়ছে। কারিগররা বলছেন,আগে যেখানে ১গাড়ি মাটির দাম ছিল ৩০০থেকে ৫০০ টাকা এখন সেই এক গাড়ি মাটির দর দাঁড়িয়েছে ১৬০০ টাকা। এই অবস্থায় মাটির প্রদীপের দাম বাড়াতে গিয়ে মুশকিলে পড়ছেন কারিগররা।তাঁরা কারুকার্য করছেন প্রদীপে। তাঁদের আশা, একদিন আশার আলো দেখা যাবে।