Bangla Jago Desk: কর্মসংস্থানমুখী আরও দুটি পলিপার্ক গড়া হচ্ছে রাজ্যে। একটি উলুবেড়িয়ায় অন্যটি দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে গড়ে তোলা হবে। কয়েকবছরে ৩হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে বলে ইন্ডিয়ান প্লাস্টিকস ফেডারেশনের তরফে জানানো হয়েছে। ক্ষুদ্রশিল্পে দক্ষও যোগ্য কর্মী তৈরির জন্য সাঁকরাইলে একটি ট্রেনিং সেন্টার খোলা হবে বলেও জানা গেছে। এমইএমই-র মাধ্যমে শিল্প সম্ভাবনার পরিকাঠামো তৈরিতে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে প্রশাসন।
ছোট ও মাঝারি শিল্পে কর্মসংস্থানের দুয়ার খুলে দিয়েছে বাংলার সরকার। এমএসএমই-তে বাংলা আবারও সেরা হয়েছে। মহিলাদের এমএসএমই-তে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোকে পিছনে ফেলে সেরার শিরোপা পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। কেন্দ্রীয় এমএসএমই-য়ের মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের মহিলারাই দেশের ২৩.৪২ শতাংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের মালিক। ক্ষুদ্র শিল্পে বড় সংখ্যক মানুষদের কাজের সংস্থান হচ্ছে। ফলে বাংলায় রেকর্ড কর্মসংস্থান হচ্ছে। অন্যরাজ্যে বেকারত্ব বাড়লেও এই রাজ্যে কর্মসংস্থান বেড়েছে। সারাদেশে বেকারত্ব ৪৫শতাংশের কাছে বাড়লেও পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্ব ৪০শতাংশ কমে গেছে। রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্যে এই সত্য মিলেছে। এবার সেই বঙ্গের শিল্প সম্ভাবনায় নতুন মাত্রা যোগ করল আরও ২টি পলিপার্ক গড়ার উদ্যোগ।
পরিকল্পনামতো, হাওড়ার সাঁকরাইলের মতোই উলুবেড়িয়ায় ৫০একর জমির উপর গড়া হবে শিল্পতালুক। উলুবেড়িয়ায় নব নির্মিত কারখানায় অসংখ্য মানুষের রোজগারের সুযোগ সৃষ্টি হবে। হাওড়া তো বটেই ভিনজেলার মানুষও এই শিল্প তালুকে নিজেদের মতো রোজগার করতে পারবে। এর পাশাপাশি দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে আরও একটি পলি-পার্ক তৈরির জন্য জমি খোঁজা হচ্ছে বলে ইন্ডিয়ান প্ল্যাস্টিক ফেডারেশনের তরফে জানানো হয়েছে।
আগামী কয়েক বছরে বাংলায় তিন হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে ফেডারেশন কর্তাদের দাবি। ভারতের মতো জনবহুল দেশে কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পের গুরুত্ব বেশি।আর এই কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ছোটও মাঝারি উদ্যোগ অন্যতম রোজগারের জায়গা। তাই জাপানের মতোই বাংলার সরকারও ছোট-ক্ষুদ্রও মাঝারি সংস্থা শ্রম নিবিড় শিল্প গড়ার দিকে ঝুঁকছে। আশা করা হচ্ছে, বেশি শ্রমিক বা কর্মী নিয়ে কাজ করানোর এই কর্মসংস্থানমুখী ভাবনা সবমহলের কাছে আশার আলো জাগাচ্ছে।