Bangla Jago Desk: ক্ষুদ্র–মাঝারি শিল্পের উদ্যোগীদের জটিলতা কাটাতে জেলায় জেলায় শুরু হচ্ছে সিনার্জি। ৭থেকে ১৭ডিসেম্বর এই শিল্প সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। বাংলা জাগোকে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাত্কারে এই শিল্প সম্মেলনের তাত্পর্য ব্যাখা করেছেন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। এমএসএমইতে কয়েকবছর সেরার শিরোপা পাওয়ার পর এবার আরও কর্মসংস্থানে জোর দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বড় শিল্পে বিপুল বিনিয়োগের দরজা খুলে দেওয়ার পর ছোট-মাঝারি শিল্প প্রসারের সমস্যা সুরাহায় এগিয়ে এল বাংলার সরকার। যাবতীয় প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে শ্রম নিবিড় এই শিল্পের ভিত শক্তিশালী করতে একগুচ্ছে পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। অন্যান্য বারের মতোই এবারও বসছে শিল্পের কর্মষজ্ঞ। আগামী ৭থেকে ১৭ডিসেম্বর এই এমএসএমই-র শিল্প সিনার্জির আয়োজন করছে বাংলার সরকার। এরমধ্যে পরপর দুবার এমএসএমইতে সেরার শিরোপা পেয়েছে বাংলা।আর পাঁচটা রাজ্যকে পিছনে ফেলে কর্মসংস্থানমুখী এই শিল্পে পশ্চিমবঙ্গ শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে।বিকল্প অর্থনীতির ভাবনা নিয়ে এই রাজ্যের ব্যবসায়ীদের স্বার্থে শুরু হচ্ছে এমএসএমই-র মহাসম্মেলন।
কিভাবে বছরের শেষ লগ্নে এই শিল্প তৈরির দরজা খুলে দেওয়া হবে,তা বাংলা জাগোকে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাত্কারে তুলে ধরেছেন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। তথ্য বলছে,জিডিপি বা মোট জাতীয় উত্পাদনের কমপক্ষে ৩০শতাংশ আসে এমএসএমই থেকে।মোট রফতানির ৪৫ শতাংশের বেশি দায়িত্ব নেয় এই জাতীয় সংস্থাগুলি। ভারত সরকারের তথ্য বলছে পশ্চিমবঙ্গ এই শিল্পে ভালো পারফরমেন্স করছে। দ্রুত প্রকল্প রূপায়ণের দুয়ার খুলে দেওয়ার সংঘবদ্ধ প্রয়াস বাংলার শিল্প বিকাশে আলাদা নজির গড়ছে। তাই ছোট-মাঝারি শিল্পের হাত ধরে রোজগারের ভিত গড়ার ব্লুপ্রিন্ট কার্যকর করা হচ্ছে লক্ষ্যণীয়ভাবে। আশা করা হচ্ছে আগামীদিনে এই শিল্পের বিস্তার বাংলাকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।