গ্রাফিক্স: নিজস্ব
Bangla Jago Desk: রাজ্য বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মুখে শোনা গেল শাসক শিবিরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা (Political Praise)। তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে “রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব” ও “শিক্ষিত মানুষ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
মঙ্গলবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে তিনি বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একজন শিক্ষিত, সংগ্রামী নেতা। ২০১১ সালের আগে সিপিএম বিরোধী আন্দোলনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।”
Suvendu Adhikari: কল্যাণের সঙ্গে অভিষেকের তুলনা! চরম কথা বলে দিলেন শুভেন্দু#SuvenduAdhikari #MamataBanerjee #KalyanBanerjee #BJP #TMC #WestBengal pic.twitter.com/g3Flqx4x5a
— Asianetnews Bangla (@AsianetNewsBN) August 5, 2025
তৃণমূল কংগ্রেসে নেতৃত্বের বড় পরিবর্তনের পর নতুন বিতর্কের সূত্রপাত করেছেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা হিসেবে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবর্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করেন। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে ইস্তফা দেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
ইস্তফার কারণ হিসেবে তিনি জানান, নেত্রী তাঁর উপর আস্থা রাখতে পারেননি, তাই এই সিদ্ধান্ত। তবে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, সহকর্মী সাংসদ মহুয়া মৈত্রর সঙ্গে তাঁর সংঘাতও কি এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রেখেছে? ইস্তফার ঠিক আগে মহুয়ার বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন কল্যাণ।
[আরও পড়ুন: Duare Chairman: দুয়ারে চেয়ারম্যান কর্মসূচি শুরু হতে চলেছে সিউড়ি পৌরসভার পক্ষ থেকে]
তৃণমূল সূত্রে জানা যাচ্ছে, ইস্তফার পরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কল্যাণকে ফোন করে আগামী কয়েক দিন আগের মতোই মুখ্য সচেতকের দায়িত্ব পালন করার অনুরোধ করেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত মান-অভিমান না করার পরামর্শ দেন। ৭ আগস্ট দিল্লিতে কল্যাণের সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনার কথাও উঠে এসেছে। এরই মাঝে কল্যাণের প্রশংসা (Political Praise) করলেন শুভেন্দু।