চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স
Bangla Jago Desk: শিয়রে আবারও দুর্যোগের ভ্রুকুটি। বেহাল সুন্দরবনের (Sundarbans) একাধিক নদী বাঁধ। সুন্দরবনের অন্যতম দ্বীপ সাগর। দ্বীপ সাগরের বঙ্কিমনগরের বাঁধের বেহাল অবস্থা। আমফান, ইয়াস ঘূর্ণিঝড় থেকে শুরু করে একাধিক ঘূর্ণঝড়ে ১২০০ মিটার এলাকা জুড়ে ভাঙন হয়েছে সেখানে। বিগত দুর্যোগ গুলিতে বারে বারে মুড়িগঙ্গা নদীর জলে প্লাবিত হয়েছে লোকালয়। ফ্লাড সেন্টার কিংবা স্কুলে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছিল এলাকার বাসিন্দাদের।
বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী দ্বীপ সুন্দরবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করা কেন্দ্রের সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু কেন্দ্র কোনও ভাবেই দ্বীপঅঞ্চলের ভূমিক্ষয় রোধ থেকে বাঁধ নির্মাণে একটাকাও দিচ্ছে না। কেন্দ্রীয় নিষ্ক্রিয়তার মাঝে রাজ্য সরকার উপকূলের মানুষকে সুরক্ষিত বলয়ে রাখার জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। বিপর্যয়ের যন্ত্রণা থেকে সুন্দরবনবাসীকে রক্ষা করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলার সরকার। সুন্দরবনের একাধিক নদী ও সমুদ্র বাঁধ বেহাল হয়ে পড়ায় নেওয়া হয়েছে মাস্টার প্ল্যান।
[আরও পড়ুনঃ Donuld Trump: ১২ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শেষে ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধবিরতি, হস্তক্ষেপ ট্রাম্পের!]
এলাকাবাসীরা জানান, তাঁদের এলাকায় কংক্রিটের নদী বাঁধের কাজ শুরু হয়েছে, এতে তাঁরা অনেকটাই খুশি। সামনেই বর্ষাকাল রয়েছে, তাই দ্রুত এই বাঁধের কাজ কমপ্লিট করার আবেদন জানান বিপন্ন মানুষেরা।
যদি বর্ষার আগে এই নদী বাঁধের কাজ সম্পূর্ণ করে দেয়া হয় তাহলে তাদের বর্ষার সময় বা দুর্যোগ এলে আর আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হবে না। শুধু বঙ্কিমনগর নয় সাগরের মন্দিরতলা চাপাতলা সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় কংক্রিটের নদী নদী বাঁধ তৈরীর কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। রাজ্য সরকারের সেচ দপ্তরের তরফে সুন্দরবনের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ সাগরের বঙ্কিম নগরে শুরু হল স্থায়ী কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণের কাজ। স্বস্তিতে এলাকার বাসিন্দারা। (Sundarbans)
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal]
শিয়রে আবারও দুর্যোগের ভ্রুকুটি। বেহাল সুন্দরবনের একাধিক নদী ও সমুদ্র বাঁধ। সুন্দরবনের অন্যতম বিছিন্ন দ্বীপ সাগর। সাগরের বঙ্কিমনগরের বাঁধের বেহাল অবস্থা। ১২০০ মিটার এলাকা জুড়ে ভাঙন হয়েছে এখানে। বিগত দুর্যোগ গুলিতে বারে বারে মুড়িগঙ্গা নদীর জলে প্লাবিত হয়েছে লোকালয়। এবার বর্ষার আগে বঙ্কিমনগরে কংক্রিটের বাঁধ তৈরির উদ্যোগ নিল সেচ দফতর। ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে এই কংক্রিটের বাঁধ তৈরীর কাজ চলছে জোরকদমে। ১২০০ মিটার দীর্ঘ হবে এই বাঁধ। বাঁধ নির্মাণের ফলে স্বস্তিতে এলাকাবাসীরা। ভিটেমাটি ছাড়ার আতঙ্ক থেকে এখন অনেকটা নিশ্চিত উপকূলের বাসিন্দারা।