ad
ad

Breaking News

Summer Vacation

পড়ুয়াদের জন্য বড় খবর! তীব্র দাবদাহে এগিয়ে আসছে গরমের ছুটি? কী জানাল নবান্ন

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জোড়া প্রভাবে রাজ্যের স্কুলগুলিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই গরমের ছুটি পড়ে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

Summer Vacation West Bengal Schools May Start Early Break

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: এপ্রিলের শুরুতেই তাপমাত্রার পারদ চড়তে শুরু করেছে রাজ্যজুড়ে। কোথাও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়েছে, তো কোথাও তা ৪২ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেছে। মাঝে দুই দিন ঝড়-বৃষ্টিতে সামান্য স্বস্তি মিললেও, আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী সপ্তাহের শেষে গরম ফের দাপট দেখাবে। এই তীব্র দাবদাহ এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জোড়া প্রভাবে রাজ্যের স্কুলগুলিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই গরমের ছুটি পড়ে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

নবান্ন সূত্রে খবর, পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) ছুটির তালিকায় মে মাসে মাত্র ৬ দিনের ছুটি বরাদ্দ থাকলেও, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তা কার্যকর করা কঠিন হতে পারে। সম্প্রতি শিক্ষা দপ্তরের ‘সামার প্রজেক্ট’ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি ঘিরে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে ২১ এপ্রিলের মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ওরিয়েন্টেশন প্রক্রিয়া শেষ করার কথা বলা হয়েছে এবং জানানো হয়েছে যে, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ বা ‘সামার ব্রেক’ চলাকালীন এই প্রজেক্টের তদারকি করতে হবে। ফলে মনে করা হচ্ছে, ২২ এপ্রিল থেকেই রাজ্যে গরমের ছুটি শুরু হয়ে যেতে পারে।

স্কুল এগিয়ে আসার পেছনে কেবল গরম নয়, বড় কারণ হিসেবে দেখা দিচ্ছে বিধানসভা নির্বাচন। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণ। নির্বাচনের নিয়ম মেনে ভোটকেন্দ্র তৈরির জন্য ২২ এপ্রিল থেকেই অনেক স্কুল ভবন প্রশাসনের অধীনে চলে যাবে। পাশাপাশি, কয়েক হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকবেন। এই অবস্থায় স্বাভাবিক পঠন-পাঠন চালানো কার্যত অসম্ভব বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

অন্য দিকে, পর্ষদের মডেল ছুটির তালিকায় মে মাসের মাত্র ৬ দিনের ছুটি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে শিক্ষক সংগঠনগুলি। তাঁদের মতে, দক্ষিণবঙ্গের প্রবল দাবদাহ ও তাপপ্রবাহের কথা মাথায় রাখলে এই নামমাত্র ছুটি অবাস্তব। সব মিলিয়ে নবান্ন ২২ এপ্রিল থেকেই গরমের ছুটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও সরকারের তরফে এখনও কোনো চূড়ান্ত নির্দেশিকা আসেনি, তবে পরিস্থিতি সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। সংশ্লিষ্ট সব মহলের নজর এখন শিক্ষা দপ্তরের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।