ad
ad

Breaking News

Sarada Devi

শ্রী শ্রী সারদা মায়ের ১৭৩তম জন্মদিনে ভক্তদের ঢল, মাতৃমন্দিরে পূজা ও প্রভাতফেরি

এরপর মাতৃমন্দিরের মহারাজ, পূণ্যার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় শোভাযাত্রা সহ প্রভাতফেরি, যা গ্রাম ঘুরে ফের মাতৃমন্দিরে ফিরে আসে।

sri-sri-sarada-maa-173rd-birth-anniversary-celebration

চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স

Bangla Jago Desk:কৈলাস বিশ্বাস, সৌভিক গোস্বামী: শ্রী শ্রী সারদা মায়ের ১৭৩তম জন্মতিথি। এই বিশেষ দিনে বাঁকুড়ার জয়রামবাটিতে সকাল থেকেই ভক্তি, ভজন, স্তবগান ও নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মুখরিত মাতৃমন্দির। ভোরে শ্রী শ্রী সারদা মায়ের জন্মতিথি উপলক্ষ্যে বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রা সহকারে মাতৃমন্দির থেকে শুরু হয়ে প্রভাতফেরি গোটা জয়রামবাটি গ্রাম পরিক্রমা করে। পাশাপাশি বেলুড় মঠেও পালিত হচ্ছে শ্রী শ্রী সারদা মায়ের জন্মতিথি। সকাল থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন ভক্তরা। ভোরে মঙ্গলারতির মধ্যে দিয়ে জন্মতিথি উৎসবের সূচনা হয়। পাশাপাশি, চলছে স্তবগান, ভজন, মাতৃসঙ্গীত। 

১৮৫৩ সালের ২২ ডিসেম্বর শ্যামাসুন্দরী দেবীর কোল আলো করে জন্ম নেন সারদাদেবী। তাঁর জন্মস্থল জয়রামবাটিতে প্রতিবছরের মতো এবারও তিথি মেনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জন্মজয়ন্তীর বিশেষ আয়োজন। রাত থেকেই মাতৃমন্দির প্রাঙ্গণে চলেছে বিভিন্ন ভক্তিমূলক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার ভোরে মঙ্গলারতি ও বিশেষ পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয় জন্মতিথি উদযাপন। এরপর মাতৃমন্দিরের মহারাজ, পূণ্যার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় শোভাযাত্রা সহ প্রভাতফেরি, যা গ্রাম ঘুরে ফের মাতৃমন্দিরে ফিরে আসে। দিনভর বেদপাঠ, স্তবগান, মাতৃসঙ্গীত, ভক্তিগীতি, বিশেষ পূজা ও ভোগ নিবেদনের মাধ্যমে চলছে উৎসব। সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।গত বছর থেকে স্থানীয়দের উদ্যোগে শুরু হয়েছে মা সারদা মেলা। জন্মতিথি উপলক্ষে জয়রামবাটি ভ্রমণে আসা ভক্ত ও পূণ্যার্থীরা পূজার পাশাপাশি মেলা প্রাঙ্গনেও ভিড় জমাচ্ছেন।

বিভিন্ন স্টল, হস্তশিল্প ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মেলাও হয়ে উঠেছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।জন্মতিথি উপলক্ষে বাগবাজার, বেলুড় মঠ ও কামারপুকুরেও চলছে বিশেষ আয়োজন। ভোরে মঙ্গলারতির মধ্য দিয়ে বেলুড় মঠে জন্মতিথি উৎসবের সূচনা হয়। সকাল থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা ভিড় করছেন মঠ প্রাঙ্গণে।মায়ের শ্বশুরবাড়ি কামারপুকুরে এই দিনটি পালিত হয় গভীর ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে। বিশেষ পূজাপাঠ ও ভক্তিমূলক সঙ্গীতের আয়োজন করা হয়েছে। মঠ সাজানো হয়েছে ফুল দিয়ে, আর ভক্তদের উপস্থিতিতে উৎসবের আবহ ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জীবনসঙ্গিনী সারদা দেবী ছিলেন নিজগুণে অনন্যা। তাঁর মধ্যে সাক্ষাত্‍ মা লক্ষ্মীর বাস ছিল বলে মনে করতেন অনেকে। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ভক্তদের কাছে তিনি শুধু শ্রী শ্রী মা নামেই চির উজ্জ্বল।