চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স
Bangla Jago Desk: বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তবে এখন থেকেই ভোটের আবহাওয়া তৈরি হয়ে গিয়েছে গোটা বাংলায়। জোরদার প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে শুরু করে বিজেপি, বাম-কংগ্রেস সকলেই। মসনদকে পাখিরচোখ করে নিজেদের সবটা দিয়ে দিচ্ছে সকল রাজনৈতিক দল। এমন পরিস্থিতিতে বড় মন্তব্য করে বসলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, তথা বিজেপি বিধায়ক, শুভেন্দু অধিকারী। প্রশংসা করে বসলেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর, যা ঘিরে একাধিক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহলে।
শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিরোধী দলনেতা এবং নিশানা করেন ঘাসফুল শিবিরকে। তবে নিজের বক্তব্যের মাঝে তিনি প্রশংসা করে বসেন অধীর রঞ্জন চৌধুরীর। তিনি প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিকে ‘শক্তিশালী নেতা’র তকমা দেন। এখানেই শেষ নয়, এর সঙ্গে হাত শিবির, ওরফে কংগ্রেসকেও একহাত নিলেন তিনি। তাদের তৃণমূলের ‘ঘোষিত বন্ধু’র তকমা দিয়ে তিনি দাবি করেন যে প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদকে সরিয়ে তারা বুঝিয়ে দিয়েছে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তারা লড়বে না।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কংগ্রেস তো ঘোষিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বন্ধু। আর যেদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে সরানো হলো অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে, সেদিন রাহুল, সোনিয়া, মল্লিকার্জুন খার্গে সিগনাল দিয়ে দিয়েছেন যে মমতার সঙ্গে তাঁরা লড়বেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে লড়লে প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি, সোমেন মিত্র, গনিখান চৌধুরী, প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পর শক্তিশালী নেতা হলেন অধীর। কংগ্রেস ওনাকে সরাতো না, যদি সত্যি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তো।” স্বাভাবিকভাবেই এমন মন্তব্য থেকে প্রশ্ন উঠছে যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কি দল পাল্টাতে পারেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে এখন এই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে।