ad
ad

Breaking News

Nirmal Ghosh

দীর্ঘ ‘অজ্ঞাতবাস’ কাটিয়ে ঋতব্রতের বৈঠকে পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ

শনিবার কলকাতার তপসিয়ায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ডাকা একটি বিশেষ বৈঠকে যোগ দিতে দেখা যায় নির্মল ঘোষকে।

rg-kar-case-former-tmc-nirmal-ghosh-attends-ritabrata-banerjee

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আর জি কর কাণ্ডের বহুচর্চিত মামলার ফাইল নতুন করে খুলতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এই মামলায় পানিহাটির তৎকালীন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা এখন তদন্তকারীদের স্ক্যানারে রয়েছে। এর পাশাপাশি পুর নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে এলাকার এক ব্যক্তির লটারির কোটি টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় মদত দেওয়ার মতো একাধিক গুরুতর বেআইনি কাজের অভিযোগে পুলিশ খুঁজছিল নির্মল ঘোষ ও বিগত ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে পানিহাটির তৃণমূল প্রার্থী তথা তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে। আইনি বিপাক ও পুলিশের নজর থেকে বাঁচতে গত কিছুদিন ধরে কার্যত ‘অজ্ঞাতবাসে’ চলে গিয়েছিলেন বাবা ও ছেলে। তবে দীর্ঘ গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর শনিবার আচমকাই প্রকাশ্যে এলেন প্রাক্তন এই বিধায়ক।

শনিবার কলকাতার তপসিয়ায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ডাকা একটি বিশেষ বৈঠকে যোগ দিতে দেখা যায় নির্মল ঘোষকে। উল্লেখ্য, শুক্রবার তপসিয়ার একটি হোটেলে দীর্ঘ বৈঠকের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন এই শিবির রাজ্য সভাপতি থেকে শুরু করে ছাত্র-যুব সংগঠনে নতুন মুখ এনে নিজেদের রাজ্য সংগঠন সাজিয়েছে। এরপর শনিবার সিপিএমের কায়দায় একটি ‘প্লেনারি’ বা বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছিল তপসিয়ায় ঋতব্রত শিবিরের কার্যকরী সভাপতি জাভেদ খানের একটি ক্লাবে। সেই বৈঠকেই আজ নতুন মুখ হিসেবে তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ চিকিৎসক নেতা শান্তনু সেন এবং নারায়ণ গোস্বামীদের পাশাপাশি উদয় হন পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ।

দীর্ঘদিন উধাও থাকার পর নির্মল ঘোষের এই আকস্মিক আগমনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে কি তিনি এবার ঋতব্রত শিবিরে নাম লেখাতে চলেছেন? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে ধোঁয়াশা বজায় রেখে নির্মলবাবু অত্যন্ত সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, ‘‘কোনো যোগদান নয়, শুধু দেখা করতে এসেছি।” তিনি যোগদানের বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও ওয়াকিবহাল মহলের স্পষ্ট মত, আর জি কর কাণ্ড এবং লটারি ছিনতাই মামলার তদন্ত থেকে নিজের পিঠ বাঁচাতে এবং আইনি রক্ষাকবচ পেতেই সরকার ঘনিষ্ঠ ঋতব্রত শিবিরে ভিড়তে চাইছেন তিনি। তবে এই সমস্ত দলবদল এবং ‘আসল’ তৃণমূলের কলেবর বৃদ্ধির মধ্যেও রাজনৈতিক মহলে এখন একটাই বড় প্রশ্ন— এই শিবিরকে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃতি দেবে তো?