Bnagla jago Desk: বদলাচ্ছে যুগ,বদলাচ্ছে ভাবনা। দশেরার অনুষ্ঠানে রাবন দহনে সেই প্রযুক্তির তাক লাগানো ছোঁয়া দেখা গেল। রাবনকে বধ করতে হনুমান চড়লেন ড্রোনে। একেবারে হাইটেক প্রযুক্তিতে অসুর বধের ছবি ধরা পড়ে খড়্গপুরে। সেই দৃশ্য তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করেন দর্শনার্থীরা। দুর্গাপুজোর দশমীতে উদযাপন করা হয় দশেরা। দশেরা উপলক্ষে খড়্গপুরে রাবন দহন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
হাইটেক যুগের ছোঁয়া লাগে রাবন দহন অনুষ্ঠানে। রাবনকে বধ করতে এগিয়ে যান হনুমান। তিনি ওঠেন ড্রোনে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ধর্মীয় রীতিতে এই পরিবর্তন সবার নজর কাড়ে। দর্শনার্থীরা সেই অনুষ্ঠান দেখার জন্য ভিড় জমান। শোনা যায়, একসময় ত্রেতা যুগে রাবনকে বধ করতে এসেছিলেন রামচন্দ্র। কলিযুগে সেই রামের ভক্ত হনুমান রাবন বধ করলেন একেবারে হাইটেক পদ্ধতিতে। তাতেই সাড়া পড়ে রেল শহর খড়্গপুরে। রাবনের পাশাপাশি মেঘনাদ –কুম্ভকর্ণকেও বধ করে পোড়ানো হয় এই অনুষ্ঠানে।
এ বছর ১০০ বছরে পড়েছে খড়গপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী রাবণ দহন অনুষ্ঠান। কয়েক লক্ষ লোক এই রাবণ দহন অনুষ্ঠান দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন। এই রাবণ দহন করলে অশুভ শক্তির বিনাশ হয়ে শুভশক্তি উদয় হয়! এমনটাই পুরোনো সময় থেকে জানা গেছে। সেই রীতিনীতি মেনে আজও বিজয়া দশমীর দিন রাবণ দহন অনুষ্ঠান হয়। রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ড্রোন এর সাহায্যে হনুমানকে বসিয়ে রাবণকে বধ করানোর এই ভাবনা আসলে প্রযুক্তির নতুন উদযাপন বলা যায়।