চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। সূত্রের খবর, ডিসেম্বরেই প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে। জেলা থেকে চাওয়া হল তালিকা। ২০২২ও ২৩-এর টেট উত্তীর্ণদের এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেছে নেওয়া হবে। নতুন বছরের আগে নিয়োগের সুখবর মেলায় খুশি চাকরি প্রার্থীরা।
শিক্ষার বুনিয়াদ শক্তিশালী করতে রাজ্য সরকার শিক্ষার পরিকাঠামো তৈরি করার মতোই শিক্ষক নিয়োগ করতে চায়। ছাত্র অনুপাতে শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ানোর পথে বাংলার সরকার।রাজ্য সরকার বারবার স্পষ্ট করেছে, আইনি জটিলতা কাটলেই শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। বিরোধীরা ইচ্ছাকৃতভাবে শিক্ষক নিয়ে জটিলতা তৈরি করে বলে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করে। এখন আইনি জট কাটায় আশার আলো দেখা গেল শিক্ষার জগতে।
এবার রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলির জন্য প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। সূত্রের খবর, ডিসেম্বরেই প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে।জেলা থেকে সেই লক্ষ্যে চাওয়া হয়েছে তালিকা। ২০২২ ও ২৩-এর টেট উত্তীর্ণদের এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেছে নেওয়া হবে। রাজ্যজুড়ে প্রাথমিক স্কুলগুলিতে বর্তমানে কত শূন্য পদ রয়েছে? স্কুল শিক্ষা দফতরের থেকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাছে কত শূন্যপদ রয়েছে তার তালিকা চাওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, নভেম্বরেই এই টেটের ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।
এবিষয়ে আরও জানা যাচ্ছে, চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যেই ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। টেটের জন্য প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ আবেদন জমা পড়ে। উত্তরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়াও শেষ করেছে পর্ষদ। ফলে বাংলার শিক্ষার প্রসারও মাণোন্নয়নে এই শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে। যাঁরা স্কুলে শিক্ষকতা করার আশায় ছিলেন তাঁদের জন্য রাজ্য সরকার দরজা খুলে দিতে চাইছে বলা যায়।
আগামীদিনে স্বচ্ছতার সঙ্গে শিক্ষকদের চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়ার পথেও হাঁটতে চায় রাজ্য সরকার। সবমিলিয়ে বলা যায়, শিক্ষার বিস্তার ও শিক্ষার গুণমানে রাজ্যকে মডেল করে তুলতে প্রশাসনের কোনও সদিচ্ছার অভাব নেই বলে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করেছেন। সেইমতো শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া নতুন বছরের আগে শুরু হলে শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে তা ইতিবাচক পদক্ষেপ হবে বলা যায়।