ad
ad

Breaking News

Political Defection

জঙ্গিপুরে জাকির হোসেনের হাত ধরে কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূলে যোগ দিল ১০টি পরিবার

এই মানবিক রাজনীতির জন্যই বিভিন্ন দল ভেঙে মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসে আসছে।”

Political Defection Jangipur Families Join Trinamool Congress

চিত্রঃ নিজস্ব

কল্যান বিশ্বাস, মুর্শিদাবাদঃ জনমুখী বাজেট ঘোষণার পর জঙ্গিপুর বিধানসভায় রাজনৈতিক শিবির বদলের ছবি। রবিবার দুপুরে জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেনের উপস্থিতিতে প্রতাপপুর জনতার দরবারে জঙ্গিপুর বিধানসভার দশটি পরিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করল। এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন। তাঁর হাত ধরেই বিভিন্ন দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে সামিল হন নতুন সদস্যরা। জঙ্গিপুর টাউনের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিপদ হাজরা জানান, “আমি দীর্ঘদিন কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থক ছিলাম। কিন্তু বিধায়ক জাকির হোসেনের কাজ ও মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। মানুষের সহযোগিতা চাইলে তিনি কখনও ফিরিয়ে দেন না। সেই কারণেই আজ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলাম।”

তৃণমূলে যোগদানকারী দীপক ঘোষ বলেন, “আগে কংগ্রেস করতাম। বিধায়ক সত্যিই একজন ভালো মানুষ। সকলের জন্য কাজ করেন। গ্রামবাসী হিসেবে আমরা তাঁর কাছে একটি অসম্পূর্ণ মন্দির নির্মাণের আবেদন করেছিলাম, তিনি সেই মন্দির করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাই তাঁর সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” এদিন বিধায়ক জাকির হোসেন বলেন, “মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষের জন্য নিরলসভাবে লড়াই করে যাচ্ছেন। এসআইআর ইস্যুতেও তিনি যা বলেছেন, নির্বাচন কমিশন তা মানতে বাধ্য হয়েছে। এবারের বাজেটে যুবদের ২০ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত ভাতা এবং মা-বোনদের জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই মানবিক রাজনীতির জন্যই বিভিন্ন দল ভেঙে মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসে আসছে।”

তিনি আরও বলেন, “আজ আমার হাত ধরে দশটি পরিবার তৃণমূলে যোগ দিয়েছে। আগামী দিনে মানুষ তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া আর কোনও দলে থাকবে না। বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেস—সব দল থেকেই মানুষ আসবে, কারণ তারা কথা দিয়ে কথা রাখে না। তৃণমূলই একমাত্র দল, যারা মানুষের পাশে থাকে। আমার কাছে যারা আসে, তারা কোনওদিন খালি হাতে ফিরে যায় না। বিপদের দিনে মানুষ তাকেই খোঁজে, যে পাশে থাকে।”