চিত্র: সংগৃহীত
বিশ্বদীপ নন্দী, বালুরঘাট: দীর্ঘ তিন বছরের আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে ন্যায়বিচার। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ থানা এলাকায় এক ১৪ বছর বয়সী নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে দোষী সাব্যস্ত করল জেলা আদালতের বিশেষ পকসো (POCSO) আদালত। বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করেন বিচারক শরণ্যা সেন প্রসাদ। আদালতের এই রায়ে খুশি নির্যাতিতার পরিবার ও এলাকাবাসী (POCSO)।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি। কুমারগঞ্জ থানা এলাকার বাসিন্দা ওই নাবালিকা সেদিন বাড়িতে একাই ছিল। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা কোনও কাজে বাইরে গিয়েছিলেন। অভিযোগ ওঠে, সেই সুযোগে অভিযুক্ত যুবক ওই নাবালিকার বাড়িতে চড়াও হয়। টিনের বেড়া ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে সে নাবালিকাটিকে যৌন হেনস্থা ও নির্যাতনের চেষ্টা করে। নাবালিকার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে অভিযুক্ত সেখান থেকে পালিয়ে যায় (POCSO)।
ঘটনার পরদিন অর্থাৎ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে কুমারগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই তৎপর হয় পুলিশ। নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারী আধিকারিকরা দ্রুততার সাথে তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা আদালতের বিশেষ পকসো আদালতে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বিচারাধীন ছিল। সরকারি আইনজীবী ঋতব্রত চক্রবর্তী এই মামলায় সরকার পক্ষে সওয়াল করেন। একাধিক সাক্ষীর বয়ান এবং পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে (POCSO)।