চিত্র: নিজস্ব
Bangla Jago Desk: কৈলাস বিশ্বাস, বাঁকুড়া: বাংলার প্রান্তিক এলাকার ছোট্ট শিশুদের শিক্ষার ভিত তৈরি করার দায়িত্ব নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয় গুলি এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র গুলিতে(Playful Teaching)। জানলে অবাক হবেন বাঁকুড়া শুশুনিয়াতে রয়েছেন এমন এক অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী যিনি ১৯৮৫ সাল থেকে খেলার ছলে ছোট্ট শিশুদের দিচ্ছেন প্রাথমিক ধ্যান ধারনা ! প্রথমে একজন সহায়িকা হিসেবে অংশগ্রহণ করেন মৃদুলা চ্যাটার্জি। বর্তমানে শুশুনিয়া গ্রামের ১৯২ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে কর্মীর কাজ করছেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন, বাচ্চাদের পুষ্টির বিকাশ, মানসিক বিকাশ এবং সামাজিক বিকাশ! এই তিন পরিষেবা তিনি দিয়ে থাকেন।
[আরও পড়ুনঃ পেয়েছেন সবরকম সমর্থন, পাঞ্জাব নিয়ে সন্তুষ্ট শ্রেয়াস]
আর মাত্র দুই বছর তারপর অবসর নেবেন মৃদুলা চ্যাটার্জি। বয়স ৬৩। ৬৩ বছর বয়সেও এত স্বতঃস্ফূর্ততা। বাচ্চারা দিদিমনির, কবিতা এবং গান শুনতেই হাজির হয়ে যায় কেন্দ্রের সামনে(Playful Teaching)। মৃদুলা চ্যাটার্জী বলেন, ২০০৭ সালে সহায়িকা থেকে কর্মী হন মৃদুলা চ্যাটার্জি। ছোটবেলায় উনার কাছে যারা পড়েছেন তারা অনেকেই এখন বাবা কিংবা মা, আবার অনেকে দাদু ঠাকুমা। তারাও পছন্দ করেন দিদিমণিকে।
FB POST: https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial
মৃদুলা চ্যাটার্জী বলেন, “আমি যতটুকু সময় পাই এবং যতটুকু শেখাই সেটা অভিভাবক অভিভাবিকারাই বলতে পারবেন(Playful Teaching)। শিশুদের খেলার ছলে শেখালে তারা অনেক তাড়াতাড়ি শিখতে পারে। এবং আমাকে নিযুক্ত করা হয়েছে, সেই পরিষেবা দেওয়ার জন্যই।”
শিক্ষক দিবসের দিন, দেখুন বাঁকুড়ার এমন এক “শিক্ষিকাকে” যিনি বছরের পর বছর ধরে একদম প্রাথমিকের আগের স্তরে শিশুদের দিচ্ছেন শিক্ষার ধ্যান-ধারণা, সঙ্গে দিচ্ছেন পুষ্টির বিকাশও। বাঁকুড়ার মৃদুলা চ্যাটার্জী যেন ভারতবর্ষের প্রান্তিক শিশুদের একটি ভাল ভবিষ্যৎ দেখানর প্রতীক হয়ে উঠেছেন।