চিত্র: নিজস্ব
Bangla Jago Desk: ‘বাংলার বাড়ি’ যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পরেও শুরু হয়নি বাড়ি তৈরির কাজ। দুমাস ধরে খোঁজ করেও উপভোক্তার সন্ধান পাচ্ছে না পঞ্চায়েত। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার চাঁদপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঢাকুরিয়া এলাকায়।
পঞ্চায়েত সূত্রে খবর, ২০১৮ সালে চাঁদপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঢাকুরিয়া এলাকায় একটি জমি দেখিয়ে বাংলার আবাস যোজনার ঘরের জন্য আবেদন করেছিলেন সুকুমার মন্ডল নামে এক ব্যক্তি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্ভে হওয়ার পর আর পাঁচ জন উপভোক্তার মতো বাড়ি তৈরির জন্য প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা সুকুমারের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে।
নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পর ঘর তৈরির কাজ শুরু করতে হয়। কিন্তু সম্প্রতি সুকুমারের দেখানো জমিতে গিয়ে পঞ্চায়েত দেখতে পায় জমি আগের অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ঘর তৈরি করা তো দূরের কথা সেখানে এক টুকরো ইট বালিও পড়েনি। টাকা পেয়েও কেন ঘর তৈরি করা হয়নি তার কারণ জানতে গিয়ে ওই উপভোক্তার কোন খোঁজ পাচ্ছেনা পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েত প্রধান দীপক কুমার দাস বলেন, দু-মাস ধরে তারা সুকুমারকে খুঁজছেন। কিন্তু তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের নির্দেশমতো সুকুমারের দেখানো জমিতে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে নোটিশ দেওয়া হয়।
সেই নোটিশে ১৫ দিনের মধ্যে তাকে পঞ্চায়েতে দেখা করতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে তিনি দেখা না করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়দের দাবি, দু’বছর ধরে ওই জায়গায় থাকেন না সুকুমার। ছয় মাস আগে একবার জমিতে তাকে দেখতে পেয়েছিলেন স্থানীয়রা।
গাইঘাটার বিডিও নীলাদ্রি সরকার বলেন, সুকুমারকে না খুজে পেয়ে তার দেখানো জমিতে নোটিশ লাগানো হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি যাতে সুকুমরকে দিয়ে বাড়ি তৈরি করানো যায়।