Bangla jago Desk: বিজেপির কোন্দলে আবারও ফাঁস তোলাবাজির গোপন কারবার। উত্তরবঙ্গের উপ-নির্বাচনের আগে অস্বস্তি বাড়ল গেরুয়া শিবিরের। মেখলিগঞ্জের বিজেপির ব্লক সভাপতি বিশ্বনাথ শিল অভিযোগ করেছেন, নিশীথ প্রামাণিকের আপ্ত সহায়ক পরিচয় দিয়ে পরিমল রায় অনলাইনে ৫০লক্ষ টাকা নিয়েছেন দফায় দফায়। কখনও চাকরি দেওয়ার নাম করে কখনও আবার বিধানসভায় টিকিট পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে।
১৩নভেম্বর বিধানসভার উপ-নির্বাচন। বেনিয়মের চোরাস্রোতে বিজেপির মুখ পুড়ছে বারবার। যাঁরা বাংলার দুর্নীতি নিয়ে গলা ফাটায়,যাঁরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখর হয়,সেই গেরুয়া শিবিরের গৃহযুদ্ধে ব্যুমেরাং স্বচ্ছতার রাজনীতি। ভোটের আগে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় উত্তরবঙ্গ। ঘরোয়া কোন্দলে সত্য ফাঁস হতেই চাপের মুখে পদ্ম শিবির। এবার বিজেপি নেতাও মেখলিগঞ্জের ব্লক সভাপতি বিশ্বনাথ শীল অভিযোগ করেন,নিশীথ প্রামাণিকের আপ্ত সহায়ক পরিমল রায় দফায় দফায় টাকা নিয়েছেন। সিতাই ও মাদারিহাটের ভোটের আগে এই ঘুষকাণ্ড কার্যতঃ বিঁধছে পদ্ম শিবিরকে। যাঁরা স্বচ্ছতার রাজনীতির দাবিদার তাঁদের দলের কেন্দ্রীয় নেতাও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রশয়ে এই তোলাবাজির কারবার চলে বলে সোচ্চার বিশ্বনাথ শিল।বিশ্বনাথের অভিযোগ,তিনি নিজে তাঁর ভাগ্নে ও অন্যান্য যুবকদের চাকরির জন্য টাকা দেন।
বিশ্বনাথ শীলের কথায়, ‘২০১৪ সালে সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যান তিনি। তারপর থেকে তিনি বিজেপি করেন। এরপর নিশীথ প্রামাণিকের আপ্ত সহায়কের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর তাঁকে ফোন করে একদিন তাঁর বাড়ি যান। উত্তরবঙ্গের নানা মানুষকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে বিভিন্ন সময়ে তোলা নেওয়া হয় বলে সরব অভিযোগকারী।
বিশ্বনাথ শিল আরও বলেন, ‘উনি আশ্বাস দেন দিল্লিতে চাকরি হয়ে যাবে। তবে তিনি রাজি হননি। কারণ সে অনাথ সেই কারণে। নিজেকে নিশীথ প্রামাণিকের পিএ পরিচয় দিয়েছে ধাপে ধাপে কখনও ৫ লক্ষ, কখনও এক লক্ষ কখনও দুই লক্ষ টাকা নিয়েছেন। তৃণমূলের অভিযোগ,আসল মাথা নিশীথ প্রামাণিক,তিনি এই তোলাবাজির গোপন লেনদেনের কারবার জানেন। উত্তরবঙ্গের বিজেপির ঘরোয়া বিবাদ বাড়ায় আরও দুর্নীতি ফাঁস হবে বলে দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের।