ad
ad

Breaking News

Purba Bardwan

 রায়নায় ভট্টাচার্য পাড়ায় কুলদেবী বিশালাক্ষীর নবনির্মিত মন্দির প্রতিষ্ঠা, ভক্তদের ঢল

দীর্ঘকাল ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকার পর, মায়ের স্বপ্নাদেশে রমানাথ ভট্টাচার্য নামক এক ব্যক্তির উদ্যোগে এই মন্দিরটি নির্মিত হয়েছে।

Nauli Built Temple of Goddess Vishalakshi Established in Bhattacharya Par, Raina, Attracts Large Number of Devotees

চিত্র: নিজস্ব

Bangla Jago Desk: পূর্ব বর্ধমানের রায়না গ্রামে ভট্টাচার্য পাড়ায় সভাকর বংশের কুলদেবী দেবী বিশালাক্ষীর নবনির্মিত মন্দির মহাসমারোহে প্রতিষ্ঠিত হলো। দীর্ঘকাল ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকার পর, মায়ের স্বপ্নাদেশে রমানাথ ভট্টাচার্য নামক এক ব্যক্তির উদ্যোগে এই মন্দিরটি নির্মিত হয়েছে। এর আগে দেবীকে বংশের বিভিন্ন বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রাখা হতো।

বংশ পরম্পরায় প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, বহু বছর আগে দেবী বিশালাক্ষী স্বপ্নাদেশ দিয়ে এই সভাকর বংশে আবির্ভূত হয়েছিলেন। সেই সময় দেবী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ৫২ পুরুষ পর্যন্ত তিনি এই বংশে কোনো অভাব রাখবেন না। সেই বিশ্বাস আজও অক্ষুণ্ণ রয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মায়ের স্থায়ী একটি মন্দির নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন বংশের সদস্যরা। স্বপ্নাদেশ পান রমানাথ ভট্টাচার্য, যিনি মায়ের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও ভক্তি রেখে সম্পূর্ণ নিজ ব্যয়ে এই ভব্য মন্দিরটি নির্মাণ করে দেন।

আজ, মায়ের মন্দিরের অভিষেক উপলক্ষে রায়না গ্রামে এক বিশাল উৎসবের আয়োজন করা হয়। সকালে গ্রামের সকল মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এক ভব্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাস্তুজাগ, হোমযজ্ঞ এবং প্রায় সাত হাজার ভক্তের জন্য অন্নভোগের আয়োজন করা হয়। মন্দিরের পূজা অর্চনার দায়িত্বে ছিলেন শ্রী উদয় চাঁদ ভট্টাচার্য।

মন্দির প্রতিষ্ঠা কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, এরপর থেকে দেবী বিশালাক্ষী এই নবনির্মিত মন্দিরেই স্থায়ীভাবে বিরাজ করবেন এবং বংশের সেবাইতরা প্রতিদিন এখানে মায়ের সেবা প্রদান করবেন। এই মন্দির প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে এই প্রথমবার এত বড় আকারের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

উৎসবের আমেজ আরও বাড়িয়ে তুলতে মন্দির প্রতিষ্ঠা কমিটি তিন দিনব্যাপী বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পী ও কলাকুশলীরা অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। দেবী বিশালাক্ষীর নবনির্মিত মন্দির প্রতিষ্ঠা রায়নার ভট্টাচার্য পাড়ার সভাকর বংশ তথা সমগ্র অঞ্চলের মানুষের জন্য এক নতুন উদ্দীপনা ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে এসেছে।