চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: নবান্ন অভিযানের আগের রাত থেকেই আঁচ করা যাচ্ছিল যে পরিস্থিতি উগ্র হতে পারে শনিবার। আর ঠিক সেটাই হলো। বিক্ষোভের জেরে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হল হাওড়া জেলার সাঁতরাগাছিতে। পুলিশের বসানো ব্যারিকেড টপকানোর চেষ্টা করা হলো প্রতিবাদীদের তরফ থেকে। এখানেই শেষ নয়, তা সরানোর জন্য ইট দিয়ে আঘাতেরও চেষ্টা করা হয়। যদিও পুলিশও প্রস্তুত ছিল তাঁদের আটকাতে।(Nabanna March)
[আরও পড়ুনঃ Selim Sheikh: গ্রেফতার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ সেলিম পিস্তল, নেপাল থেকে ধরল দিল্লি পুলিশ]
গত বছর ৯ই অগাস্ট আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা জানাজানি হতেই তোলপাড় শুরু হয় গোটা বাংলায়। পথে নেমে প্রতিবাদ জানানো শুরু হয় নাগরিক সমাজের একাংশের তরফ থেকে। একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয় বিচারের দাবি তুলে। শেষ পর্যন্ত প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মন্ডল জামিন পান। যাবজ্জীবন কারাদন্ডের শাস্তি দেওয়া হয় সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে।(Nabanna March)
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial]
যদিও অভয়ার মা-বাবা মনে করেন যে প্রকৃত অপরাধীরা এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং সেই কারণে তাঁরা বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নবান্ন অভিযানের ডাক দেন। তবে পুলিশ শুক্রবার জানিয়ে দিয়েছিল যে এই কর্মসূচির অনুমতি নেওয়া হয়নি এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো খবরের ভিত্তিতেই তারা যাবতীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেবে। সেই অনুযায়ী একাধিক জায়গায় ব্যারিকেড বসানো হয়। পাশাপাশি বন্ধ করা হয় হাওড়া ব্রিজ ও দ্বিতীয় হুগলী সেতু।(Nabanna March)
তবে সাঁতরাগাছিতে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড টপকানোর চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। তার সামনেই তোলা হয় একাধিক স্লোগান। অনেকে তোলেন ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ বা ‘জাস্টিস ফর আরজি কর’ স্লোগান। এছাড়া অনেকে আবার ‘দফা এক দাবি এক মমতার পদত্যাগ’ স্লোগানও তোলেন। যদিও পুলিশ আন্দোলনকারীদের সংযত থাকার পরামর্শ দেন মাইকিং করে। এমনকি পুলিশকে লক্ষ্য করে কাঁচের বোতল, প্ল্যাকার্ড ছোড়ার খবরও পাওয়া গিয়েছে। এবার দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত কি হয়। কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়, তা বলবে সময়।(Nabanna March)