ad
ad

Breaking News

Dev

“কেউ কথা রাখেনি, দিদি রেখেছেন”, সিঙ্গুরের মেগা সভায় মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন দেব

দীর্ঘদিনের লড়াই এবং কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে তিনি স্পষ্ট জানান, বহু চেষ্টার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হতে চলেছে।

চিত্র: সংগৃহীত

বুধবার সিঙ্গুরের প্রশাসনিক জনসভা থেকে বহু প্রতীক্ষিত ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’-এর শিলান্যাস করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থেকে মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগঘন হয়ে পড়েন ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী (Dev)। দীর্ঘদিনের লড়াই এবং কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে তিনি স্পষ্ট জানান, বহু চেষ্টার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হতে চলেছে।

এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেব (Dev) বলেন, “ঘাটালের বাসিন্দারা এমন একজনের অপেক্ষায় ছিলেন, যিনি তাঁদের দীর্ঘস্থায়ী দুঃখ বুঝবেন। আমি প্রথমবার সাংসদ হওয়ার পর শপথ নেওয়ার সময়ও ঘাটাল নিয়ে বাংলার মানুষের হয়ে সওয়াল করেছিলাম। দিল্লির দরবারে বারবার বৈঠক করেছি, আবেদন জানিয়েছি। কিন্তু আমাদের কথা কেউ রাখেনি। একমাত্র দিদিই কথা দিয়েছিলেন যে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান রাজ্য সরকারই করবে এবং আজ তিনি সেই কথা রাখলেন।”

সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোলিং এবং সমসাময়িক রাজনীতি প্রসঙ্গে দেবের (Dev) দাবি, “যে সরকার কথা দেয় এবং ভোটের পর তা পালন করে, ভোট তো তাদেরই পাওয়া উচিত। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের ফাইল বছরের পর বছর নানা দপ্তরে ঘোরাঘুরি করলেও কাজের কাজ হয়নি। কিন্তু এই সরকার ভোট নিয়ে পালিয়ে যায়নি।” গত ১৫ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে দলমত নির্বিশেষে উন্নয়ন করেছেন, তার প্রশংসা করে তিনি মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানান।

এদিন মঞ্চে হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যেরও প্রশংসা শোনা যায় দেবের (Dev) মুখে। তিনি বলেন, “রচনাদি এত সুন্দর বলেছেন যে আমি বারো বছরের সাংসদ হয়েও হয়তো এত ভালো বলতে পারতাম না।” দেবের মতে, এক হাজার পাঁচশো কোটি টাকার এই প্রকল্প শুরু করা কোনো সহজ কাজ ছিল না, যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সফলভাবে সম্পন্ন করলেন।