ad
ad

Breaking News

Jalpaiguri

Jalpaiguri: জলপাইগুড়িতে শিল্পিকে সংবর্ধনা বিধায়কের

বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় গানের রিয়্যালিটি শো’তে গান গাইলেন জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের বেলাকোবার জমজ দুই ভাই

MLA felicitates the artist in Jalpaiguri

নিজস্ব

Bangla Jago Desk,জলপাইগুড়ি,কল্যান চন্দ: বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় গানের রিয়্যালিটি শো’তে গান গাইলেন জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের বেলাকোবার জমজ দুই ভাই। টিভির পর্দায় দুই ভাইকে দেখে আপ্লুত পরিবার এবং এলাকাবাসীরা। জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের সিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলাকোবার বাবুপাড়ার বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দে ও রুপালি দে সরকারের দুই ছেলে সায়নজিৎ ও তুষাণজিৎ।জনপ্রিয় গানের রিয়্যালিটি শো এর মেগা অডিশনের প্রথম রাউন্ডে গান গাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন এই দুইভাই।টিভির পর্দায় দুই ভাইকে দেখে খুশি সকলেই।

[ আরও পড়ুন:

Darshana Banik-Heeramandi: বনশালির নজরে এবার সৌরভ পত্নী! দর্শনা প্রসঙ্গে এবার কি বললেন পরিচালক]

সোমবার তাদের বাড়িতে গিয়ে সংবর্ধনা দিলেন জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায়। তার সাথে  ছিলেন সমাজসেবী অরিন্দম ব্যানার্জি ও রণবীর মজুমদার। এদিন দুই ভাই সায়নজিৎ ও তুষাণজিৎ জানান, খুব ভালো লাগছে। কোচবিহারে প্রথম অডিশন দিয়েছিলাম। তারপর আরও পাঁচ বার অডিশন দিয়ে আমরা টিভির প্রথম রাউন্ডে আসতে । আমরা আশাবাদী আগামী রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ পাবো। তারা আরও জানান সকলের আশির্বাদে এগিয়ে যেতে পারবো বলে আশা করছে । এছাড়া এদিন সংবর্ধনা প্রদানের পর বিধায়ক খগেশ্বর রায় বলেন, আমাদের বেলাকোবার গর্ব দুই ভাই।জনপ্রিয় গানের অনুষ্ঠানে গান করার সুযোগ পেয়েছে।

[ আরও পড়ুন:

Hardik Pandya And Natasha Controversy: হারিয়ে যাওয়া ছবি ফিরল আবারও নাতাশার ফিডে! “হচ্ছে টা কি?”- প্রশ্ন অনুরাগীর]

রবিবার  তাদের দুজনকে টিভির পর্দায় গান গাইতে দেখেছি। দেখে খুব ভালো লাগছে। আমরা খুবই আল্পুত। সোমবার তাদের দুই ভাইকে ফুল ও মিষ্টি খাইয়ে সংবর্ধনা দিলাম। অন্য দিকে এই বিষয়ে সায়নজিত ও প্রসেনজিৎ এর বাবা প্রসেনজিৎ দে জানায় ভীষণ ভালো লাগছে ছেলে গান গাওয়ার সুযোগ পেয়েছে কলকাতার এক বড় জায়গায়। সকলে এসে আশীর্বাদ করছে আরো বড় হওয়ার। অন্য দিকে সায়ন জিতের মা তথা রাজগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রুপালি দে সরকার জানায় ছেলেরা ছোটবেলা থেকে গান গাই তো। কিন্তু এত বড় জায়গায় যাবে ভাবতে পারিনি। ভীষণ ভালো লাগছে ছেলের এই সাফল্যতে। আরো বড় হোক ছেলেরা। ছেলেদের জন্য সব রকম সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হবে।