ad
ad

Breaking News

পূর্ব বর্ধমান

কাটোয়ায় ‘মারমেড বেবি’! মাত্র ৪ ঘন্টা আয়ু নিয়ে জন্ম

জানা গিয়েছে, কাটোয়া থানার করজগ্রামের বাসিন্দা এক মহিলার প্রসববেদনা শুরু হওয়ার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পরিবারের লোকজন কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

'Mermaid Baby' born in Katwa with just 4 hours to live

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: কোমরের নিচ থেকে দুই পা একসঙ্গে জুড়ে রয়েছে। আকৃতি অনেকটা মাছের লেজের মতন। এক নবজাতকের এমন মৎস্যকন্যার মত চেহারা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ায়। জন্মের চার ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয় তার।

জানা গিয়েছে, কাটোয়া থানার করজগ্রামের বাসিন্দা এক মহিলার প্রসববেদনা শুরু হওয়ার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পরিবারের লোকজন কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। রাত একটা নাগাদ মহিলার অস্ত্রোপচার করে সন্তান প্রসব করানো হয়। কন্যাসন্তান প্রসব করেন ওই বধূ। প্রায় আড়াই কেজি ওজনের ওই নবজাতককে দেখার পরেই চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা অবাক হয়ে যান।

মহিলার চিকিৎসা করছিলেন কাটোয়া হাসপাতালের যে চিকিৎসক, তিনি বলেন, ” ইতিপূর্বে কাটোয়া হাসপাতালে এই ধরনের শিশু জন্মানোর নজির নেই। এই ধরনের শিশুকে ‘মারমেড বেবি ‘বলে। এটি বিরলতম ঘটনা।” ওই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলেন,” মারমেড বেবি সবসময়ই ফিমেল হয়। তবে মারমেড বেবি বেশিক্ষণ বাঁচে না। শারীরিক পরিস্থিতি দেখে যথাযথ চিকিৎসা শুরু করাও হয়। তবুও এই শিশুটি প্রায় চার ঘন্টা বেঁচে ছিল। জন্মের পর হাত পা ও ছুড়ছিল।”

জানা গিয়েছে, বুধবার খুব সকালে চিকিৎসারত অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। তবে তার মা সুস্থ রয়েছেন। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, করজগ্রামের ওই বধূর এটি ছিল দ্বিতীয় সন্তান। প্রথম সন্তানটিও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমেই প্রসব করানো হয়েছিল। তিনবছর বয়স। তবে প্রথম সন্তান সুস্থ স্বাভাবিকই রয়েছে। মহিলার স্বামী ভিনরাজ্যে একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন।

উল্লেখ্য, বিদেশে মাঝেমধ্যে এই ধরনের শিশুর জন্মের খবর পাওয়া যায়। বছর আটেক আগে কলকাতার একটি হাসপাতালে ‘মারমেড বেবি’র জন্ম হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যের মহকুমাস্তরের কোনও হাসপাতালে এই ধরনের মৎসকন্যা শিশুর জন্মের নজির আগে ছিল না। এবার সেই তালিকায় উঠে এল পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের নাম।