ad
ad

Breaking News

Bangaon

বনগাঁয় প্রসূতি মৃত্যু, নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

গর্ভপাতের পর চিকিৎসার জন্য বনগাঁর এক নার্সিং হোমে ভর্তি হয়েছিলেন অন্তরা পাল নামে এক তরুণী।

Maternal death in Bangaon, nursing home accused of negligence

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: গর্ভপাতের পর চিকিৎসার জন্য বনগাঁর এক নার্সিং হোমে ভর্তি হয়েছিলেন অন্তরা পাল নামে এক তরুণী। তবে সেখানে ধীরে ধীরে ওই তরুণীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরবর্তীতে বনগাঁ হাসপাতালে তরুণীকে ভর্তি করা হলে সেখানেও শেষ রক্ষা হয়নি।

অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে অন্তরা নামে ওই তরুণী। পরিবারের তরফে বনগাঁ থানায় ইতিমধ্যেই অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। জানা গিয়েছে, মৃতা অন্তরা নামের ওই তরুণী অশোকনগরের সেনডাঙার বাসিন্দা। তিন-চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। সম্প্রতি গর্ভপাত হওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে যান অন্তরা। গত ৬ নভেম্বর বনগাঁর একটি হাসপাতালে অন্তরা ভর্তি হয়ে ছিলেন। শনিবার সকাল থেকেই অবস্থার অবনতি হতে থাকে তরুণীর।

তরুণীর শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হতে থাকে যে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়, বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার কথা। বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করলে শনিবার বিকেল ৪ টের সময় জানা যায় অন্তরার মৃত্যু সংবাদ। মৃত্যুর খবর পেতেই অন্তরার স্বামী পলাশ পাল নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে থানায় যান। এখানেই শেষ নয়। পরিবারের তরফে অন্তরার  মামা  বিশ্বজিৎ পাল নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বনগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে পরিবারের তরফে করা অভিযোগ নস্যাৎ করে দেন চিকিৎসক।

গাফিলতির অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেয় ওই নার্সিংহোমের মালিক তথা চিকিৎসক মলয় সাহা। তিনি আরও দাবি করেন, ‘‘তরুণীর গর্ভস্থ শিশু আগেই মারা যায়। এরপর রোগীর পরিবার চিকিৎসা করার জন্য আমাকে জানিয়েছিল। তবে আমি তখনই তরুণীর পরিবারকে অন্য ডাক্তার দেখাতে বলেছিলাম।’’ পরিবারের তরফে করা অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই বনগাঁ থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে দিয়েছে।