ad
ad

Breaking News

BJP MLA

ত্রিপল না পেয়ে বাড়ির সামনেই মলত্যাগ! সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপি বিধায়ক

অভিযোগ উঠেছে, বহু মানুষ লাইন দিয়েও ত্রাণ পাননি, আর তাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে এক ব্যক্তি বিধায়কের বাড়ির সামনেই মলত্যাগ করে চম্পট দেন!

Jamuria BJP MLA Bijon Mukherjee Tarpaulin Distribution Row

এআই নির্মিত চিত্র

AK Bangla Desk: ভারী বর্ষণ ও জলযন্ত্রণায় বিপর্যস্ত মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে গিয়ে এক অভাবনীয় ও লজ্জাজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেন স্থানীয় বিধায়ক। অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য নিজের বাসভবন থেকে ত্রিপল বিতরণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন আসানসোলের জামুড়িয়ার বিজেপি বিধায়ক বিজন মুখোপাধ্যায়। তবে ত্রাণ সামগ্রী পাওয়ার আশায় মানুষের অনিয়ন্ত্রিত ভিড় ও বিশৃঙ্খলা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে তা নিয়ে পুরো জামুড়িয়া জুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র তোলপাড়। অভিযোগ উঠেছে, বহু মানুষ লাইন দিয়েও ত্রাণ পাননি, আর তাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে এক ব্যক্তি বিধায়কের বাড়ির সামনেই মলত্যাগ করে চম্পট দেন!

সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অবিশ্রান্ত বৃষ্টির জেরে জামুড়িয়ার বহু কাঁচা ও টিনের বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অসহায় মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁয় দিতে ব্যক্তিগত উদ্যোগেই ত্রিপল বিতরণের সিদ্ধান্ত নেন বিধায়ক বিজন মুখোপাধ্যায়। কিন্তু সেই খবর রটতেই বিধায়কের বাসভবনের সামনে উপচে পড়ে মানুষের ঢল। বিধায়কের গুরুতর অভিযোগ, প্রকৃত দুস্থ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক অসচ্ছল নয় এমন মানুষও স্রেফ বিনামূল্যে পাওয়ার লোভে লাইনে এসে দাঁড়িয়ে যান।

সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে নিজের চরম হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিধায়ক বিজন মুখোপাধ্যায়। তিনি ক্ষোভের সঙ্গে জানান, “ত্রিপল পাওয়ার জন্য অত্যন্ত অরাজক এক পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছিল। ৫ বছরের শিশুর কার্ড দেখিয়ে, এমনকি একই পরিবারের একাধিক সদস্য বারংবার এসে ঘুরে ঘুরে ত্রিপল তুলে নিয়ে গিয়েছেন। ইসিএলের মোটা মাইনের স্থায়ী কর্মীদের স্বচ্ছল পরিবারকেও দেখা গিয়েছে ত্রাণের লাইনে। আর সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হল, ত্রাণ না পেয়ে হতাশা থেকে কেউ একজন আমার বাড়ির সামনেই মলত্যাগ করে পালিয়ে গিয়েছে!”

ঘটনায় মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে আসানসোল ও জামুড়িয়া প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে। সাধারণ মানুষের একাংশও এই ধরণের মানসিকতা ও নজিরবিহীন অসভ্যতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বিধায়কের আকুল আবেদন, যাঁদের সত্যিই প্রয়োজন রয়েছে, কেবল তাঁরাই যেন ত্রাণ সংগ্রহ করতে এগিয়ে আসেন, যাতে কোনো প্রকৃত দুস্থ মানুষ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হন।