ad
ad

Breaking News

১,০০০ কোটির ডিলে মুসলিম ভোট বিক্রির ছক! হুমায়ুনের ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই ‘কুলাঙ্গার’ তোপ ফিরহাদের

নিজেকে নির্দোষ দাবি করে পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছেন হুমায়ুন কবীর।

Humayun Kabir Viral Video Controversy

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরের একটি ‘ভাইরাল ভিডিয়ো’ (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি Bangla Jago TV) ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। ভিডিয়োতে হুমায়ুনকে বলতে শোনা গিয়েছে, টাকার বিনিময়ে মুসলিম ভোট কাটতে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সঙ্গে তাঁর শলাপরামর্শ হয়েছে। এই ভিডিয়ো সামনে আসতেই হুমায়ুনকে ‘কুলাঙ্গার’ ও ‘কীট’ বলে তীব্র আক্রমণ শানালেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

ভাইরাল ওই ভিডিয়োতে হুমায়ুন কবীরকে জনৈক বিজেপি নেতার সঙ্গে কথোপকথনে বলতে শোনা যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমতা থেকে সরাতে তিনি শুভেন্দু অধিকারী ও হিমন্ত বিশ্বশর্মাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এমনকি মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের সঙ্গেও তাঁর কথা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “মুসলিমদের বোকা বানানোর পরিকল্পনা ছেপে ফেলেছি। বাবরি ইস্যু তুলে মানুষের আবেগ আমার দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছি। অন্তত ৮০-৯০টি আসন আমি পাবই, তবে তার জন্য হাজার কোটি টাকা দরকার।” প্রতিটি কেন্দ্রে ৩-৪ কোটি টাকা খরচের খতিয়ানও দিতে শোনা যায় তাঁকে।

এই চাঞ্চল্যকর ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই আসরে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ফিরহাদ হাকিম রীতিমতো চড়া সুরে বলেন, “টাকার বিনিময়ে মুসলমানদের ইমান ও ভাবাবেগ নিয়ে সওদা করাটা মহাপাপ। ওই কুলাঙ্গার হুমায়ুনকে সমাজচ্যুত করা উচিত। বাংলার মুসলমানরা কি এতটাই বোকা যে টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যাবেন? ওই কীটকে একটিও ভোট দেওয়া উচিত নয়।” একই সুরে সরব হয়েছেন কুণাল ঘোষ ও অরূপ বিশ্বাসও। কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তুলেছেন, এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কোন কোন আধিকারিক যুক্ত, তার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে, নিজেকে নির্দোষ দাবি করে পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, এই ভিডিয়োটি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং তাঁর কণ্ঠস্বর নকল করা হয়েছে। হুমায়ুনের পালটা অভিযোগ, “ইজরায়েল থেকে মেশিন এনে আমার ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে। ওই ভিডিয়ো আমার প্রমাণ করতে পারলে আমি সব প্রার্থী তুলে নেব। না হলে দু’হাজার কোটি টাকার মানহানির মামলা করব।” নির্বাচনের ঠিক মুখে এই অডিও-ভিডিও বিতর্ক যে বাংলার রাজনীতির পারদ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল, তা বলাই বাহুল্য।